ইউনুসের বাংলাদেশে চলছে নৈরাজ্য। অশান্তির ছবি। যা কোনওভাবেই আয়ত্তে নেই। এদিকে এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ছবিটা নেতিবাচক। আর এর মধ্যেই নাকি ভারত গুটি সাজাতে শুরু করেছে। নয়া দিল্লিতে প্রায় ২০ টি দেশের গোয়েন্দা প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন অজিত ডোভাল। মনে করা হচ্ছে, ইউনুসকে চাপে রাখতেই এই বৈঠক।
সম্প্রতি, তুলসী গ্যাবার্ড ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করে গিয়েছেন। সূত্রের খবর, রুট ম্যাপ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশকে নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন তুলসী। যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক মোহাম্মদ ইউনূসের কাছে। এরপরই তড়িঘড়ি সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোঃ ইউনূসের বৈঠক। তড়িঘড়ি কেন বৈঠক করতে হল? কি বিষয়ে আলোচনা হল? বাংলাদেশের সূত্র বলছে, সেনাপ্রধান এবং ইউনূসের দূরত্ব অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। আর সেই দূরত্ব মেটাতেই এই বৈঠক। সেই দূরত্ব মিটলো কিনা তা খবর নেই। তবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইউনূসের বাক বিতন্ডা হয়। খবর হয়েছে, সেনাবাহিনী কিভাবে কাজ করছে, সেটা ইউনুসকে পরিষ্কার বুঝিয়ে দেন ওয়াকার। মনে করা হচ্ছে, এরপরই চাপে পড়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান।
বেশ কয়েকদিন ধরে, বাংলাদেশে হিজবুত তাহের, জামাতি ইসলামির মত কিছু কট্টরপন্থী সংগঠনকে শায়েস্তা করতে উঠেপড়ে লেগেছে সেনাবাহিনী। আর এদিকে নয় দিল্লিতে কুড়িটি দেশের গোয়েন্দা প্রথা সঙ্গে বৈঠক করেন অজিত ডোভাল। আর এখন ঢাকা পর্যন্ত যেতেই ঘুম উড়েছে ইউনূসের। বাংলাদেশে তার সিন্ডিকেট শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে সেদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান কোনওভাবেই মানতে পারছেন না, গোটা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। ওয়াশিংটন এক্সামিনার যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী গণমাধ্যম। তার একটি প্রতিবেদন বার করেছে বাংলাদেশ নিয়ে। আর এই প্রতিবেদনটি লিখেছেন মাইকেল রুবিন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন খ্যাতনামা লেখক এবং বিশ্লেষক। এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে, বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি এবং সেখানকার সরকারের কার্যকলাপ।
বোঝানো হয়েছে, বাংলাদেশের সরকার দমন পীড়ন রুখতে প্রশাসনকে কতটা বা কিভাবে কাজে লাগাচ্ছে। তারপরই সেখানে চাঞ্চল্যকর ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ কি পরবর্তী আফগানিস্তান! অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের মতো এমন শক্তিশালী দেশের গণমাধ্যম সরব হচ্ছে বা প্রশ্ন তুলছে পদ্মা পাড়ের অরাজক পরিস্থিতি নিয়ে। এরপরও কি টনক নড়ছে বাংলাদেশের অন্তবর্তিকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহম্মদ ইউনূসের? আসলে ভারত বারবার বাংলাদেশকে বোঝানোর চেষ্টা করছে, যাতে পাকিস্তান বা চীনকে আঁকড়ে না ধরে বাংলাদেশ। তাহলে তাদেরই বিপদ বাড়বে। এমনকি সেই বিপদ খানিকটা শুরু হয়ে গিয়েছে।
Discussion about this post