প্রায় দু’বছর ধরে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল বা স্যাটে বহু মামলা ঝুলে রয়েছে। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন অসংখ্য মানুষ। অবশেষে স্যাট মামলার জট কাটল। অবিলম্বে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের মেম্বারকেই সমস্ত মামলা শুনতে হবে বলে নিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির। এদিন রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করে এই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। কোন অজুহাত ছাড়াই, স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল, সেচ দফতরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এবং আইসিডিএস সুপারভাইজার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা দীর্ঘদিন ধরে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে শুনানি না হয়ে পড়ে রয়েছে। অথচ রাজ্য সরকার সমস্ত মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও শূন্যপদে নিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এই প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন অমিত প্রধান সহ ৩০ জন চাকরিপ্রার্থী। দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় ঝুলে থাকলেও তার কোন শুনানি হচ্ছে না। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চে প্রথম মামলা হয়। সেখানেই বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ট্রাইবুনালকে সমস্ত ধরনের মামলা শুনবে। পাশাপাশি রাজ্য সরকার চেয়ারম্যান নিয়োগ করবে। যাতে বিচার প্রক্রিয়া থেমে থাকে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে দিনের পর দিন মামলার শুনানি না করে পিছিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অবশেষে এবিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলেন প্রধান বিচারপতি।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post