গতকাল রাতে মেঘনা জুট মিলের দুই শ্রমিক পক্ষের মধ্যে অশান্তি বাঁধে, উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনায় বিজেপি নেতা অর্জুন সিংকে তলব করল জগদ্দল থানার। পুলিশের তলবে সাড়া দেবেন না অর্জুন। উত্তপ্ত মেঘনা জুট মিল অঞ্চল।
গতকাল রাতে মেঘনা জুট মিলের দুই শ্রমিক পক্ষের মধ্যে অশান্তি বাঁধে, উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। খবর পেয়ে সেখানে যান ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুনিতা সিংয়ের ছেলে নমিত সিং। এরপরই সেই অশান্তি বড় আকার নেয়, গুলি ও বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের বিশাল বাহিনী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় র্যাফও। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন। প্রাক্তন সংসদের বাড়ির আশেপাশে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে লাগানো হয়েছে একাধিক উন্নতমানের সিসিটিভি ক্যামেরা। তবুও প্রাক্তন সংসদের কার্যালয়ের সামনে একের পর এক বোমা গুলির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনায় বৃহস্পতিবার জগদ্দল থানা থেকে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সকাল ১০টার মধ্যে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ পুলিশের। তবে তিনি হাজিরা দেবেন না বলেই জানা গিয়েছে।
অর্জুনের দাবী, রাতে মজদুর ভবনেই ছিলেন তিনি, আচমকা ২ টি গুলির শব্দ পান। সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মেঘনা মোড়ের কাছে এগিয়ে যান অর্জুন। তখনই দুষ্কৃতীরা তাকেও লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ অর্জুনের। এলাকায় অনেক সিসিটিভি ফুটেজ আছে আগে সেগুলি খতিয়ে দেখুক পুলিশ। তাহলেই বোঝা যাবে কে গুলি চালিয়েছে। আমাকে নিজের হাতে গুলি চালাতে হবে, আমার এত খারাপ অবস্থা হয়নি।
তৃণমূল ঠিক উল্টো দাবি করেছে, তৃণমূল নেতা বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন. মেঘনা জুটমিলে শ্রমিকদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে ঠিকই। সেটিকে হাতিয়ার করে অর্জুন সিং ও তার দলবল যেভাবে শ্রমিকদের উপর হামলা চালিয়েছে তা এককথায় অকল্পনীয়। সাদ্দাম বলে ওই ছেলেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে অর্জুন নিজেই। আমরা বলেছি হামলাকারী অর্জুন সিংকে গ্রেফতার করতে হবে, নাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে তৃণমূল।
কলকাতা হাইকোর্ট বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ তুলে নিয়েছে। গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত নির্দেশ দেন শুভেন্দু...
Read more












Discussion about this post