২৬’ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কালিগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে কতটা প্রস্তুতি চলছে শাসক ও বিরোধী শিবিরে? যদিও দেখা যাচ্ছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির এই নির্বাচন নিয়ে কোন উৎসাহ নেই! এই রাজ্যে উপনির্বাচন হয় না দাবি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
অন্যদিকে উপনির্বাচনের শাসকদলের প্রার্থী, আলিফা আহমেদের স্পষ্ট বার্তা, এই উপনির্বাচনটিকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। এখানে প্রার্থীর নাম ভুলে যান, এখানে লড়ছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। শুনুন উপনির্বাচন প্রসঙ্গে কি বলছেন আলিফা আহমেদ।
এটাই বর্তমান পরিস্থিতি কালীগঞ্জ বিধানসভা উপ নির্বাচনের। এই কালিগঞ্জ বিধানসভাটি নিয়ে মাননীয়া পরেছেন শাখের করাতে। কারণ এই নির্বাচনে জয়ী হলে পরবর্তীতে শাসক দলকে পরতে হবে বিপদে। আবার পরাজিত হলেও দলটিকে পরাজয়ের দুঃখ সহ্য করতে হবে, বলে দাবি করা হচ্ছে।
তৃণমূলের দুর্গ এই কালীগঞ্জ বিধানসভা। কিন্তু সেখানে এখন উপনির্বাচনের সমীকরণটা ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে সেটা তৈরি হয়েছে জল্পনা। আলিফা আহমেদকে প্রাথী করার পর থেকে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। কারণ এর আগে বিধায়কের কন্যা আলিফা আহমেদকে জেলা পরিষদের প্রার্থী করা হয়েছিল এবং সেখানে জয়ী হওয়ার পর, জেলা পরিষদের সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পরও তাকে এলাকায় দেখতে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের স্বার্থে তিনি কোন কাজ করেননি ফলে, এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল আলিফা আহমেদের। ফের আবার উপ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে চলছে আলোচনা সমালোচনা। তিনি যদি আবারও জয়ী হন তবে হয়তো তাকে আবারো এলাকায় আর দেখা যাবে না সাধারণ মানুষের স্বার্থে। যদি এই কথা নিজের মুখেই স্বীকার করছেন তৃণমূল প্রার্থী, তিনি সাধারণ মানুষকে পুরনো দিনের কথা ভুলে গিয়ে এই নির্বাচনে শাসক দলকে জয়ী করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন। আর এখান থেকেই শাসকদলের অভ্যন্তরেও শুরু হয়েছে পরাজয়ের আশঙ্কা। কারণ রাজ্যজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা দেখা গিয়েছে। প্রথমে আর জি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ও সম্প্রতি দুর্নীতির অভিযোগে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল সব কিছুরই প্রভাব পড়বে নির্বাচনে এমনটাই মনে করা হচ্ছে।
তবে প্রধান বিরোধী দল বিজেপির তরফে বিরোধী দলনেতা দাবী, এই উপ নির্বাচন বিগত ১৪ বছরে প্রহসন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনের আগেই এর ফলাফল নির্ধারণ হয়ে যায় সেখানে যদি শাসক দল জয়ী হয় তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই বিজেপির। কারণ সামনে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন সেখানেই আসল লড়াই হবে ভোটের ময়দানে। আর সেই লড়াই নিজেদের প্রস্তুত রাখতে এগিয়ে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। তবে উপনির্বাচন নিয়ে কোনঠাসা শাসক দল কি ভাবে তাদের লড়াই জারি রাখে এখন সেটাই দেখার।












Discussion about this post