বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু তার আগেই ভাঙ্গরে জমি দখল করতে মরিয়া আইএসএফ এবং তৃণমূল কংগ্রেস। কেউই জমি ছাড়তে নারাজ। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে সংযুক্তা মোর্চা থেকে ভাঙ্গর থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকি। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনে ভাঙ্গর থেকে লিড নেন যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষ। তারপর থেকেই লক্ষ্যণীয়ভাবে দুই দলের টক্কর শুরু হয়। ভাঙ্গর এলাকাকে আরও মজবুত করতে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামকে সরিয়ে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লাকে দায়িত্ব দেয় দল। এরমধ্যেই তৃণমূলে যোগ দেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা কাশেম সিদ্দিকী। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। এমিতেই দুই পক্ষই আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়েছে। অশান্তি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে নির্বাচন খানিকটা দেরি হলেও দুই দল মাঠে নেমে পড়েছে। শওকত মোল্লা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে, অন্যদিকে নওশাদ সিদ্দিকি টেবিল পেতে মানুষের কথা শুনছেন, এবং কর্মসূচি পালন করছেন। সামনের বিধানসভা নির্বাচনে যে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই হবে সেটা স্পষ্ট।
অন্যদিকে নওশাদ সিদ্দিকি যে ভোট লড়তে প্রস্তুত এবং তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বেন, সেটা এর আগে বহুবার বলেছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।
ভোটের দামামা যে বাজতে আর বেশি দেরি নেই, সেটা বোঝা যাচ্ছে। তবে যেভাবে দু পক্ষ কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে, তাতে নতুন করে এলাকায় অশান্তি তৈরি হবে নাতো, উঠে আসছে প্রশ্ন।












Discussion about this post