রাজভবনকে কি এড়িয়ে যাচ্ছে নবান্ন? দুই বিধায়কের শপথ নিয়ে উঠছে এমনই প্রশ্ন। ফল প্রকাশের পরে ১০ দিন কেটে গেলেও নবনির্বাচিত দুই বিধায়কের শপথগ্রহণ হয়নি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল, রীতি মেনেই এ ব্যাপারে রাজভবনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল পরিষদীয় দফতর। কিন্তু রাজভবনের তরফে কোনও সাড়া মেলেনি।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, পরিষদীয় দফতর থেকে লিখিত ভাবে শপথ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজ্যপালের কাছে চিঠি পাঠানোই রীতি। এবং তার ভিত্তিতেই সংবিধানের ১৮৮ ধারা অনুযায়ী রাজ্যপাল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বরানগর ও ভগবানগোলার নবনির্বাচিত দুই প্রতিনিধির শপথের জন্য পরিষদীয় দফতর কোনও চিঠি রাজভবনে পাঠায়নি। বরং, সেই চিঠি গিয়েছে বিধানসভার সচিবের কাছ থেকে বলে খবর।
প্রশাসনিক মহলের অনেকে বলছেন, এই চিঠি নিয়ে রাজভবন যদি গুরুত্ব না দেয়, তাহলে কারও কিছু বলার থাকবে না। কারণ, শপথের ব্যাপারে রাজ্যপালের অনুমতি চাওয়ার চিঠি পরিষদীয় দফতর দিয়ে থাকে, যা এবার হয়নি বলেই সূত্রের খবর। লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই রাজ্যের দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই দুই কেন্দ্রেই জয়ী হন তৃণমূলের প্রার্থীরা। মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলা কেন্দ্রে জয়ী হন রেয়াত হোসেন সরকার ও বরাহনগরে জয়ী হয়েছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের জন্য রাজ্য বিধানসভার সচিবালয়ের তরফ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজভবনকে। যদিও সেই চিঠির কোনও জবাবই দেয়নি রাজভবন। আর তা দেখেই মনে করা হচ্ছে এবারেও এই দুই বিধায়কের শপথ বাক্য পাঠ করানো নিয়ে কদর্য রাজনীতির সাক্ষী থাকতে হবে রাজ্যবাসীকে।












Discussion about this post