ভয়াবহ ভাঙনের কবলে গঙ্গাসাগর। অমাবস্যার কোটালের জেরে কপিলমুনি মন্দির সংলগ্ন সমুদ্র পাড়ে বড়সড় ধস। অতীতে ভাঙনের জেরে ৫ বার স্থানান্তরিত এই আশ্রম সব তীর্থ বার বার। গঙ্গাসাগর একবার। বহু প্রচলিত প্রবাদটির বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মিল কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। মূলত দুর্গম যাত্রাপথের কারণে প্রবাদটি প্রচলিত ছিল। এখন সাগর পথে গঙ্গাসাগরের সঙ্গে যোগাযোগ অনেকটাই সহজ। যোগাযোগ ব্যবস্থা আগের থেকে সহজ হলেও গঙ্গাসাগরে বড় সমস্যা এখন অন্য। সাগর স্রোতের ঘাত-প্রতিঘাতে ভাঙছে কপিলমুনি আশ্রমের ঘাট। ক্রমশই কপিলমুনি আশ্রমের কাছাকাছি চলে আসছে সমুদ্র ।
গত গঙ্গাসাগর মেলার আগে কোটি কোটি টাকা খরচ করে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ হয়েছিল। আজ সেই সব কিছু জলে। কপিলমুনির আশ্রমের সামনে দুই থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের রাস্তার বেহাল অবস্থা। অমাবস্যার কোটালে সমুদ্রের জলের ধাক্কায় ভেঙে পড়ল চার নম্বর স্নানঘাটের ঢালাই রাস্তা।
ভাঙনের কারণে বার বার কপিলমুনির আশ্রম স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বর্তমানে যেখানে কপিল মুনির আশ্রম ছিল তার থেকে ৭ কিলোমিটার দুরে পুরনো মন্দিরটি অবস্থান করতো। আজ সেখানে মহাসমুদ্র। ভাঙনের জন্য সরিয়ে আনা হয়েছে মন্দির। তীর্থযাত্রীদের আগমণে এলাকার অনেক মানুষের রুজি রোজগার নির্ভর করে। সেই গঙ্গাসাগর মেলার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে কপিলমুনির আশ্রম। তাই সমুদ্রের গ্রাসে পাড় ভাঙার এই খেলায় আতঙ্কিত হয়ে উঠেছেন স্থানীয়রা
বাকি নদীর পাড় ভাঙার সঙ্গে গঙ্গাসাগরকে মেলালে চলবে না। পরিস্থিতি এখানকার অনেকটাই অন্যরকম। এমন দাবি তোলা হলেও বিরোধীরা মনে করছেন আদতে পুরোটাই কাটমানির খেলা। সমস্যার সমাধান তো কিছু হচ্ছে। উল্টে বছর বছর কিছু মানুষের পকেট ভরছে।
অভিযোগ পাল্টা দাবির মাঝে কপিলমুনির আশ্রম সত্যিই বিপদের সম্মুখীন। দ্রুত কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ হবে নাকি পুনরায় স্থানান্তরিত হবে কপিলমুনির আশ্রম সেটাই এখন দেখার












Discussion about this post