বাংলাদেশের পরিস্থিতি যত দিন যাচ্ছে, ততই জটিল আকার ধারণ করছে। এর মধ্যে খবরের শিরোনামে রাষ্ট্রপতি। প্রচলিত নিয়ম ভেঙে বঙ্গভবনে ঈদের নামাজ পড়লেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। সাধারণত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়ে থাকেন। তবে এবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ঈদের নামাজ পড়তে জাতীয় ঈদগাহ যাননি। তিনি বঙ্গভবনেই ঈদের নামাজ পরেছেন। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঈদের নামাজ পড়লেন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে রাষ্ট্রপতি বাইরের কোনও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন না। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা কোথায় ঈদের নামাজ পড়বেন সেই নিয়ে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছিল ঈদের আগেই। এবং সেই সময় এই প্রসঙ্গে, বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ‘ জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মানুষের অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন। এবং রাষ্ট্রপতি ঈদের নামাজ পড়বেন বঙ্গভবনে।’
ঈদের দিন বিকেল তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার তার কার্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
তবে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির নামাজ পড়া নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হচ্ছে। তবে কি রাষ্ট্রপতি মহম্মদ ইউনূসকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্যই ঈদগাহে গেলেন না? ঠিক যেমনটা দেখা গিয়েছিল, ভাষা দিবসের দিন। রাষ্ট্রপতি বেরিয়ে যাওয়ার পাঁচ মিনিট পর পৌঁছন ইউনূস। তখন বলা হচ্ছিল, রাষ্ট্রপতিকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য ইউনূস দেরী করে পৌঁছলেন। এখন দেখা গেল উল্টো। তবে কি সত্যিই ভিতরে ভিতরে ঠান্ডা লড়াই চলছে।সবথেকে বেশি ভয়ঙ্কর হল, দীর্ঘ দিনের জন্য থাকা ক্ষোভ একসঙ্গে প্রকাশ পেলে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে। যেটা সাধারণ জনগণের জন্য ভয়নক। এখন দেখার, কি পরিস্থিতি তৈরি হয়।
Discussion about this post