ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য সম্পর্কে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের মন্তব্য এখন আলোচনা শিরোনামে। যে মন্তব্যের অর্থ তিনি “চীনা অর্থনীতির সম্প্রসারণ” বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া বেইজিংকে ক্ষমতা দখলের জন্য অনুরোধ করেছেন ইউনুস। যার ফলে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া সহ উত্তর–পূর্বের আর এক বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরার গুরুত্বপূর্ণ দল তিপ্রা মোথার প্রধান প্রদ্যোৎ মাণিক্য আবার বাংলাদেশকে ‘ভাঙা’র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ত্রিপুরা রাজ্যের প্রাক্তন রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যোত মানিক্য, তার এক্স হ্যান্ডেলের একটি পোস্টে, দিল্লিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য এবং যোগাযোগের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার পরিবর্তে,বাংলাদেশের এমন কিছু অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন যারা,সবসময় ভারতের অংশ হতে চেয়েছিল।
তিনি আরো উল্লেখ করেন,চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে সর্বদা আদিবাসী উপজাতিরা বাস করত যারা সর্বদা ভারতের অংশ হতে চেয়েছিল… লক্ষ লক্ষ ত্রিপুরা, গারো, এবং চাকমা মানুষ বাংলাদেশে বাস করে কিন্তু তাদের ঐতিহ্যবাহী ভূমিতে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রয়েছে।”
যদিও তিপ্রা মোথা পার্টির এই সদস্যের পোস্টটি কিছু মহল থেকে সমালোচনার মুখে পড়েছিল কিন্তু তিপ্রা মোথার প্রধান বিচলিত ছিলেন না।
তিনি বলেন, ওই দেশে ভারতের একমাত্র ‘বন্ধু’ ছিল, তিনি প্রয়াত শেখ মুজিবর রহমান, যার কন্যা শেখ হাসিনা গত বছরের জুলাই বিপ্লব পর্যন্ত সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এমনকি জানা গিয়েছে এর আগেও প্রদ্যুৎ মানিক্যের পরামর্শের ভিত্তি রয়েছে ইতিহাসে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য ঘিরে এ দিন কেন্দ্রের শাসক বিরোধী দুই শিবিরেই তীব্র আলোড়ন শুরু হয়ে গিয়েছে। উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিজেপি শাসিত রাজ্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরাসরি নিশানা করেছেন ইউনূসকে। উত্তর–পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি নিয়ে আরও পরিকল্পনার প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি
Discussion about this post