এইবার মহা বিপদে পড়লেন মোহম্মদ ইউনূস। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙাতে চরম সমস্যায় পড়লেন তিনি। হাসিনার গোপন ফাঁদে পা দিয়ে ফেললেন ইউনুস। খুব তাড়াতাড়ি ইউনূসের সরকার পড়তে চলেছে। গোপন সূত্রে খবর, প্রায় দেড় হাজার আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ধানমন্ডির বাড়ি ভাঙাতে আদতে লাভ হয়েছে শেখ হাসিনার। এই ঘটনায় ভারত যেমন বিবৃতি দিয়েছে, তেমনই ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। যা নিয়ে তীব্র আলোড়ন পড়েছে।
বাংলাদেশে অন্তবর্তী সরকারের তরফে একটি অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করছে। নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন ডেভিল হান্ট। এই অভিযানে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের চিহ্নিত করে, তাদের গ্রেপ্তার নয়, ইনকাউনটার করে লাস্ট বানিয়ে দেওয়া হবে। এমনটাই বক্তব্য উঠে আসছে। জানা যাচ্ছে ২০০২ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় এই ধরনের একটি অভিযান ডাক দেওয়া হয়েছিল। তখনো আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য এমন অভিযান করা হয়েছিল। মোহাম্মদ ইউনূসের আমলেও এই একই অভিজানের ডাক দেওয়া হল। আদৌ এই অভিযান কতটা কার্যকরী হবে বাংলাদেশে, পানি বিস্তর প্রশ্ন উঠছে।
এরমধ্যেই ১৩ ই ফেব্রুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক রয়েছে। আর সেই বৈঠকে দেশ এবং আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে যেমন আলোচনা হতে পারে, বাংলাদেশের প্রসঙ্গ উঠতে পারে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অপেক্ষা করে আছেন, এই দিনই হাসিনা সম্পর্কিত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে দুই শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
তার মধ্যে বাংলাদেশে একটি গোপন খবর উঠে আসছে। তা হল দেশে নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ পদে থাকা সেনাপ্রধানকে এক ঘরে করার চেষ্টা চলছে। সেনাবাহিনীকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছেনা। এমন কি খবর উঠে আসছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুরের দিন সেনাবাহিনী উপস্থিত থাকলেও উচ্চপর্যায়ে নিষেধাজ ছেড়ে তাদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। যা মোটেই ভালো চোখে দেখা হচ্ছে না। যদিও বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙাতে চাপে পড়েছেন ইউনুস। একটা সরকার ক্ষমতায় থাকতে কিভাবে এমন অরজগত সৃষ্টি হতে পারে, এমন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা কে। সমগ্র বিষয় নিয়ে পদ্মাপাড়ে চলছে চরম নৈরাজ্য। এখন দেখার, বাংলাদেশের পরিস্থিতি ঠিক কোন জায়গায় গিয়ে থামে।












Discussion about this post