এটা ২০২৫ বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এসে দাঁড়িয়েছে আমরা। ট্রেন থেকে প্লেন এমনকি দেশ রক্ষা থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রীও মহিলা হন। কাজেই এই সময় দাঁড়িয়ে সমাজের কোন অংশেই ছেলেদের থেকে মেয়েদের আর আলাদা করে দেখা হয় না।
যেখানে বাংলাদেশের শেষ প্রধানমন্ত্রী ও একজন মহিলা সেই বাংলাদেশের ইউনুসের রাজত্বে এক অরাজকতা নিন্দনীয়র নজির রাখছেন জামায়াত।
তাদের মতে সন্তানদের দায়-দায়িত্ব পালন করতে হয় মহিলাদের তাই ক্ষমতায় এলে চাকরিতে মেয়েদের কাজের সময় কমিয়ে দেওয়া হবে। এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির আমির শফিকুর রহমান। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামির আমির দাবি করেছেন যে মহিলারা সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন।সন্তানদের দুধ দিয়ে লালন করছেন। আবার চাকরিও করছেন। সেই পরিস্থিতিতে পুরুষদের মতো মহিলাদেরও আট ঘণ্টা কাজের নিয়মের বিষয়টি তাঁদের প্রতি অবিচার। তাই ক্ষমতায় এলে মায়েদের কাজের সময় কমিয়ে পাঁচ ঘণ্টা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির আমির। কেন কিসের জন্য এই নারী-পুরুষ ব্যবধান যা নিয়ে গোটা দেশ এবং দেশের বাইরে বিদেশেও জোর চর্চার শিকার হলেন জামায়াত শিবির।
তবে কি তালা দিয়ে মহিলাদের ঘরে রেখে দেবে জামায়তে?আর যে শফিকুর এমন মন্তব্য করেছেন, তাঁর দলকে চূড়ান্ত নারীবিদ্বেষী হিসেবে দেখা হয়। তবে কি বাংলাদেশে মেয়েদের কোন রকম ভাবেই মর্যাদা দেওয়া হয় না, কিসের জন্য এই ব্যবধান এই প্রশ্নই উঠছে বাংলাদেশের অভ্যন্তর।এমনকী অভিযোগ করা হয় যে জামায়াত যদি বাংলাদেশের ক্ষমতায় চলে আসে, তাহলে ভয়াবহ অবস্থা হবে মহিলাদের। তালা দিয়ে মহিলাদের ঘরে রেখে দেওয়া হবে। সার্বিকভাবে তাঁদের যাবতীয় অধিকার লঙ্ঘিত হবে বলে আশঙ্কায় ভুগছেন অনেকেই। অবশ্য এর জন্য অনেকে আবার মৌলবাদী ইউনূসকেই দায়ী করছেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।সেই অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস সাহেব থাকাকালীনই নির্বাচনের আগে জামায়াত নিজেদের দাগ মুছে ফেলার প্রবল চেষ্টা করছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।সেই রেশ ধরে নিউ ইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি মহলের আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চেয়ে বাংলাদেশের জামায়াত ইসলামির আমির শফিকুর দাবি করেন, মহিলা বিদ্বেষী বলে তাঁর দলের বদনাম করা হয়।অভিযোগ করা হয় যে জামায়াত ক্ষমতায় এলে ঘরে তালা দিয়ে রাখা হবে মহিলাদের। কিন্তু এত তালার কেনার মতো টাকা কীভাবে পাওয়া যাবে, পরে অবশ্য নিউইয়র্কের বুকে দাঁড়িয়ে নিজেই নিজের করা মন্তব্যের জন্য টোলের শিকার হন।জামায়াত ভারত-বিদ্বেষী ও পাকিস্তানের দালাল বলেও অভিযোগ ওঠে। বিদেশের মাঠ থেকেই প্রশ্ন উঠে যায় যেখানে বাংলাদেশের শাসনভার শেখ হাসিনার হাতে এতদিন ছিল হয়তো ভবিষ্যতেও থাকবে। সেই জায়গায় জামায়াতের মতন মুষ্টিমেয় দল কিভাবে বাংলাদেশের বুকে দাঁড়িয়ে এতটা নারী বিদ্বেষী হতে পারে? এমনকি বেশকিছু সূত্র মাধ্যমে এটাও জানা যায় তাহলে এই জামায়াত শিবির হঠাৎ যদি ইউনূসের হাত ধরে ক্ষমতায় এসে যায় তবে বাংলাদেশের মহিলাদের কি চরম পরিণতি হতে পারে তা ভেবেই তারা আতকে ওঠে এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
জামায়াতকে শুধু নারীবিদ্বেষী নয়, ভারত-বিদ্বেষী হিসেবেও দেখা হয়। কারণ যে ভারতের হাত ধরে 1971 এ বাংলাদেশ স্বাধীনতা পায় সেই ভারতের বিরুদ্ধে বারংবার কুরুচিকর মন্তব্য করতে ছাড়েনি এই জামায়াত। আবার তারই মধ্যে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল শামশাদ মির্জার সঙ্গে দেখা করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, জেনারেল মির্জা বলেছেন যে ‘আমাদের দেশ একে অপরকে সমর্থন করবে।’ তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি করাচি এবং চট্টগ্রামের মধ্যে দ্বিমুখী শিপিং রুট চালু করা হয়েছে। আর কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা এবং করাচির মধ্যে বিমান পরিষেবা চালু করা হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান।
তবে জামায়াত আর ইউনুস যে একই টাকার দুই পিঠ তা আর বুঝে নিতে দ্বিধা রইল না এবং তারা যে একইভাবে ভারতবিদ্বেষ আর পাকিস্তানের পায়ে পড়ে থাকতে বেশি পছন্দ করছে তার বলার অপেক্ষা রাখে না।।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post