এই ফেব্রুয়ারী মাস শেষ হলেই শেষ হয়ে যাবে তারেক রহমানের রাজনৈতিক মধুচন্দ্রিমা। কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি হতে হবে তাকে। যে কোনও সময়ে পরিস্থিতি এমন হতে পারে, যে এই নির্বাচনটি তার সাংবিধানিক বৈধতা হারাতে পারে। তাই সরকারে থাকতে হলে বিএপিকে জামাতের কাছে মাথা নত করতেই হবে, কারণ রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা।প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে তিনি মুখে বলছেন যে সব ধর্মের মানুষ বাংলাদেশে সমান অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারবে। আসলে কি তাই হবে। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমানোর দায় যদি জামাত নিয়ে থাকে তবে, আওআমীলীগ এবং বিএনপি তাদের সম্পদ কমানোর দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের জমি জায়গা সব দখল করেছে। এটিকে কঠিন হাতে দমন করতে হবে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে। বাস্তবতা হল বিএনপি ১৭ বছরের ক্ষুধার্ত বাঘ হয়ে আছে, তারা কি দেখবে কাদের থেকে কি ভাবে তারা চাঁদা নিচ্ছে, কাদের জমি জায়গা দখল করছে। এই পরিস্থিতি তো আছেই, সেই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামাত শিবিরের মতানৈক্যের ফলে, রমজান মাস শেষ হলেই, জামাত এবং এনসিপি রাস্তায় নামবে বিএনপির বিরুদ্ধে। আর এই মহুর্তে জামাত এবং এনসিপিকে পেটানোর জন্য সুযোগ খুঁজছে বিএনপি এবং আওয়ামীলীগ। ফলে রাজপথে নামলেই জামাতের কপালে আছে জামাই আদর। পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন তারেক রহমান।
যারা ভাবছেন আওয়ামীলীগের ফেরার রাস্তা আপাতত বন্ধ, বিএনপি আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়গুলি খুলে দিলেও আওয়ামীলীগকে ফেরার কোন ব্যবস্থা বিএনপি করে দেবে না। যদিও অনেকেই মনে করছেন যারা মুক্তি যুদ্ধকে সম্মান করে, যারা রাজাকার পাকিস্তানের বর্বরতাকে ঘৃণা করে তাদের কে ক্ষমতায় আসা থেকে আটকে রাখতে হলে বিএনপি এবং আওয়ামীলীগ একসাথে কাজ করা উচিৎ। কারণ মুক্তযু্দ্ধ যদি বাংলাদেশ সৃষ্টি করে, তাহলে মুক্তিযুদ্ধ হল বাংলাদেশের মা, আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি হল দুই ভাই। কিন্তু সেই ১৯৭৫ সাল থেকেই দুই ভায়ের মধ্যে বিরোধ, আর যার সুবিধা নিচ্ছে পাকিস্তান পন্থি রাজাকাররা। এমন নয় যে এই কথাটি শুধু আওয়ামীলীগ জানে আর বিএনপি জানে না। যারা বিএনপির বরিষ্ঠ নেতা তারা সবাই জানে জামাত মানেই রাজাকার, আর রাজাকার মানেই পাকিস্তানি। যারা বাংলাদেশের ত্রিশ লক্ষ্য মানুষের হত্যার দায় নিতে বাধ্য, এবং দুই লক্ষ্য মা বোনের সম্ভ্রম নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। কি নির্মম তাদের অত্যাচারের ধরণ ছিল তা সবার বোধ বুদ্ধির বাইরে। তবুও বিএনপি এবং আওয়ামীলীগ তাদের প্রতিহিংসার রাজনীতি ভুলে দেশের জন্য রাজনীতি করবে না। যার ফলে জামাত তাদের আসন এবং জনসমর্থন বাড়িয়ে যাচ্ছে।












Discussion about this post