সম্প্রতি ভারত বিদ্বেষী ও বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। চলেছে একের পর এক ধ্বংসলীলা। এমনকি জিহাদিদের হাতে প্রাণ গেছে নিরীহ হিন্দুদের। দিপু দাস নাম এক হিন্দু যুবককে গণ পিটুনি দিয়ে গাছে বেঁধে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিয়েছে জিহাদিরা। এই হিন্দুর মৃত্যুতে সেলিব্রেট করেছে জিহাদিরা। এই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে ভারত। বাংলাদেশ বুঝতে পারেনি এর ফলে কি হতে চলেছে তাদের। এই ঘটনার সাথে ভারতীয় নাগরিক সহ ভারতীয় ফোর্সেস ক্ষুব্দ। ফলে ভারতীয় ফোর্সেস যেখানেই এই বাংলাদেশীদের দেখছে সেইখানেই গুলি চালাচ্ছে। ভারতের এই পাল্টা হামলায় ইতিমধ্যেই সিলেট সীমান্তে মৃত্যু হয়েছে দুই জন বাংলাদেশির। এর ফলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে দুই দেশের মাঝে। লাগাতার ৪ – ৫ দিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের পাল্টা দেওয়ায় মনে কপিরা হচ্ছে এটি বাংলাদেশী জেহাদীদের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। ভারতের মেঘালয়ের সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই বাংলাদেশী গুলিবিদ্ধ হয় বিএসএফের হাতে। একি হামলায় এক জিহাদি মহম্মদ আশিকুর রহমান সেইখানেই মারা যায়। ওপর জন মহম্মদ মোসায়েদ আলী গুলিবিদ্ধ হয়েও ভাগ্যক্রমে সে ভারত থেকে পালতে সক্ষম হলেও হাসপাতালে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সে মাঝ পথে প্রাণ হারায়।
কিছু গণমাধ্যমের দাবি, এই অল্প বয়সী দুই বাংলাদেশী জঙ্গি জেহাদিরা বাংলাদেশের সিলেট থেকে গোপনে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের ভিতরে প্রায় দেড় কিলোমিটার মেঘালয়ে ঢুকে পড়ে। সেখানকার খাসিয়া জনগোষ্ঠীদের বেতের বাগান থেকে চুরি করতে গিয়ে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে সেখানেই শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করে। ওপর জন গুলি খেয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে। অর্থাৎ, এ থেকে স্পষ্ট ভারতীয় জনগণ এখন নিজেরাই এই বাংলাদেশী জেহাদি নিধনে মাঠে নেমে পড়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এরা বন্দুক পেলো কোথায় ভারত সরকার এদের বন্দুক দিচ্ছে না তো যাতে লোকাল জনগণই এই জঙ্গিদের গুলি করে সম্প্রতি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তপ বিশ্বশর্মাকে বলতে শোনা গেছিল, সরকার বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় যে সমস্ত জনগণ রয়েছে তাদের বন্দুকের লাইসেন্স দেয়ার কাজ করছে যাতে তারা নিজেরাই বাংলাদেশিদের ঢুকতে দেখলে গুলি চালাতে পারে। মনে করা হচ্ছে, যদি অসম সহ দেশের বাকি রাজ্য গুলিতে এই ব্যবস্থা করা হয় তাহলে বাংলাদেশিরা উচিত শিক্ষা পাবে। এই উদ্যোগের ফলে ভারতীয় জনগণ বাংলাদেশী জেহাদিদের জীবন ভারতে নরক করে দেবে।
বাংলাদেশের দাবি, বাংলাদেশিদের গুলি করে মারছে ভারত। কিন্তু যতই বাংলাদেশ কুমিরের কান্না কেঁদে আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের ভালো রাখতে চাক না কেন, আন্তর্জাতিক স্তর সহ বিশ্বের বাকি দেশ গুলি ভারতেরই পাশে। কারণ গোটা বিশ্ব দেখছে ভারতের বিরূদ্ধে বাংলাদেশের বাড়বাড়ন্ত। আর সেটি হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশ আরও স্পষ্ট করতে দিয়েছে। ভারতের এই সহ্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ও ভারতের পাল্টা দেওয়া শুরু হওয়ার ফলে ইউনুস সরকারের ক্ষমতার অন্তিম দিনের সাথে কপালে দুঃখ ঘনিয়ে আসছে তা জলের মতো স্পষ্ট।











Discussion about this post