শত্রু সংখ্যা বাড়ছে ভারতের। সেনাবাহিনী শুধুমাত্র ভারত মাতাকে রক্ষা করে না , রক্ষা করে ভারত ভূ-খণ্ডকেও। কেন পিছাবো? কারণ অর্থনীতিতে ভারত তো চতুর্থতম স্থানে অধিকার করছে। ক্ষেপণাস্ত্র তৈরী করছে ভারত। কী সেই ক্ষেপণাস্ত্র যা বিশ্বের কাছে ভয় ধরানোর পরিসথ্তি তৈরী করতে পারে। কারণ শত্রু পক্ষ কে জানান দিতে হবে যে কোনও অংশেই আমরা পিছিয়ে নেই। কথাতেই আছে আপনি যত ভালো কাজ করবেন তত আপনার শত্রু বাড়বে। শত্রুদের দমন করার জন্য ভারত একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভারত ঝাপাচ্ছে না,, ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রত্যেক ভারতীয়কে রক্ষা করে। তাই জন্যই তো ভারতীয় সেনা আজ সর্বশ্রেষ্ঠ। কিন্তু সেনা থাকলে হবে না। সেনার সঙ্গে তো যুদ্ধাস্ত্রের প্রয়োজন। নয়তো সেনা লড়তে পারবে না। আমরা প্রতিদিন আপডেট হচ্ছি সেই একইরকম ভাবে তো যুস্ত্রের সমস্ত কিছু আপডেট করতে হবে। প্রত্যেক দেশ নিজেদেরকে ক্রমাগত ডেভেলপ করছে। ভারত তার ব্যাতিক্রম নয়। কেন আমরা পিছাবো। পিছানোর তো প্রশ্নই আসছে না। এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভারত তৈরী করছে যা আপনাকে ভয় ধরাতে বাধ্য।
অপারেশন সিদুর নিশ্চয়ই মনে আছে আপনাদের। যখন পাকিস্তান জঙ্গি হামলা চালিয়েছিল । আমরা বহু পর্যটকদের হারিয়েছিলাম। সেই কান্না নিশ্চয় আপনার মনে আছে, মনে হচ্ছিল কবে ভারত প্রতিশোধ তুলবে। চারিদিকে স্লোগান, সাউটিং চলছিল। অপারেশন সিদুরের সময় ভারত ব্যবহার করেছিল ব্রক্ষ্মস। একেবারে শত্রুর ডেরায় পৌছে গিয়ে ধ্বংস করেছিল। সেই সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রক্ষ্মসকে আরও শক্তিশালী করে তোলার উদ্যোগী হয়েছে ভারত। যাতে খুব সহজেই শত্রুকে ধ্বংস করা যায় তার চেষ্টাই করা হচ্ছে ভারতের পক্ষ থেকে। সেই চেষ্টার ইতিমধ্যেই ভারত দুটো ধাপ অতিক্রম করেছে। যদি ভারত সফলভাবে ভারত অতিক্রম করতে পারে তাহলে নিঃসন্দেহে শত্রুরা ধ্বংস হবে। দীর্ঘ পাল্লার অ্যান্টি- শিপ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা বর্তমান ব্রক্ষ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় বেশী। পার্থক্য গতি ও পাল্লা। ব্রক্ষ্মসের থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র অনেক বেশী অ্যাডভান্সড। যার ফলে অনেক দূর থেকেই ধ্বংস করা সম্ভব হবে। এরকম একটি শক্তিশালী অস্ত্র থাকলে অন্য দেশ কোনও অস্ত্র কিনতে হবে না। শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া বা চিনের মত শক্তিধর দেশের একচেটিয়া ক্ষেত্র ছিল হাইপারসনিক অস্ত্র প্রযুক্তি। সেই জায়গাতে ভারত এখন জায়গা করে নিল। মানে এক আসনে চলে এল। আকাশ পথে, জলপথে, স্থলে পথে শত্রুকে বেধে রাখতে চায়। সব দিক থেকে তাই ভারত প্রস্তুত থাকছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post