ভোট যত এগিয়ে আসছে, কিছু মানুষের মধ্যে ভোট কেমন হবে তা নিয়ে যত না উত্তেজনা, তার থেকে বেশী উত্তেজনা ভোটের পর কি হবে। এই ছাত্রনেতারা জামাতের সঙ্গে মিলে যে ভাবে বিএনপিকে চাঁদাবাজের দল বলে মানুষের কাছে প্রতিপন্ন করতে চাইছিল, এবং দেশের রাজনীতি থেকে আওয়ামীলীগের মতই বিএনপিকেও মুছে দিতে চাইছিল, তার একটা প্রতিশোধ কি বিএনপি নেবে। এই যে তারেক রহমানের হাসিনার পুত্র কন্যারা রাজনীতি করার অধিকার নিয়ে কথা বলায়, আসিফ মাহমুদ সজিব ভ্যুঁইয়া যে ভাবে তারেক রহমানকে আক্রমন করেছে, তার ফল কি হতে যাচ্ছে। ভোটের পর বিএনপি জিতলে, হাসনাত,নাহিদ, আসিফ এদের কি হবে তা হয়তো এরা নিজেরাও বুঝতে পারছে না। বিএনপি একবার জনগনের রায় পেয়ে গেলে, তখন হ্যাঁ ভোট আর না ভোট কিছু কি মানবে। তবে
বাংলাদেশে এখনও গুঞ্জন নির্বাচনটা হবে তো। এমনও হতে পারে ১১ তারিখ রাতেও নির্বাচন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে সবই নির্ভর করছে, জামাত এবং বিএনপির মধ্যে সমঝোতার উপর। যদি তারা ভিতরে ভিতরে সব মিলে মিশে এক হয়ে থাকে তবে তো এই ভোট একটি প্রহশন। আর যদি তারেক রহমান যেটি এখন বলছেন যে, আমরা কোনভাবেই জামাতের সঙ্গে ঐক্য গড়ে কোন সরকার গঠন করব না, এই সিদ্ধান্তে অটল থাকলে, বিপদ আছে ছাত্রনেতাদের। কারণ জামাতের আন্ডার গ্রাউন্ড রাজনীতি করার ক্ষমতা বুদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা আছে, তারা নিষিদ্ধ থেকেও এই পদ্ধতিতে রাজনীতি করে আসছে। তারা ঠিক নিজেদের লুকিয়ে ফেলতে পারবে। কিন্তু রেহাই পাবে না জুলাইয়ের ছাত্রনেতারা। আর তারা হয়তো সেটি বুঝেও গেছে। তাই নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দিচ্ছে নাহিদরা। ভোটে যদি জামাত কারচুপি করে জিতে যায় তাহলেও গৃহযুদ্ধ লাগবে। আর বিএনপি জিতলে কপাল পুড়বে জুলাই যোদ্ধাদের। এই ছাত্রনেতারা বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নেতা তারেক রহমানকে যে ভাষায় আক্রমন করেছে, তার নামে যত রকমের স্লোগান দেওয়া হয়েছে, সব কিছুর কড়ায় গন্ডায় হিসাব নেবে বিএনপি।এখন সবাই চাইছে আওয়ামীলীগের ভোটারদের ভোট। হয়তো সে কারণেই তারেক রহমান আওয়ামীলীগের রাজনীতি করার অধিকার আছে বলে জানিয়েছেন। অবশ্য তিনি বলেছেন যে জনগন যদি চায়।। কিন্তু জনগন চায় কিনা সেটার জন্য তাদের নির্বাচনে অংশ নিতে দিতে হত। আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে তো বিএনপি উল্লাস দেখিয়েছিল। তাহলে এখন কি সব দল বুঝে গেছে আওয়ামীলীগের ভোটারা যে দিকে যাবে সেই দিকেই যাবে দেশের রায়। তবে নাহিদের একটি বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে তারা বাংলাদেশের সংখ্যা লঘুদের নিয়ে খুব একটা ভাবে না। যে কারণে এই ছাত্রেদের দলটি যে জামাতের একটি অংশ তা তার বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট।












Discussion about this post