বাংলাদেশে বহুপ্রতীক্ষিত ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে জয়ী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় ২০০ র ওপর বেশী আসন নিয়ে তারেক রহমান জিতেছেন। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী। তারেক মন্ত্রীসভায় ভারতপন্থীরা জায়গা পেয়েছে। আসলে কী সত্যিই তাই নাকি শুধু সমালোচকেদের সমালোচনা। অন্যদিকে খলিলুর যদি ভারতের ভরসা হয়েই থাকে তবে তো অভিযোগ ইলেকশন ইঞ্জিনায়িরিংয়ের দিকে। কিনতু এই অভিযোগের নেই কোনও প্রমাণ। সামাজিক মাধ্যমে চলছে দেদার আলোচনা। প্রথমত নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড। তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকে শপথ গ্রহণ পর্যন্ত পুরোটা সময় ভারত সমর্থন করেছে। বেগম খালেদা জিয়ার মত্যুর পুর শোকবার্তা দেওয়া, জয়শঙ্করের উপস্থিতি, নরেন্দ্র মোদীর বার্তা। একের পর এখ ঘটনা ঘটে গিয়েছে। পাশাপাশি, নির্বাচনের ফলাফলের পর শুভেচ্ছা জানানো। মোদী সরাসরি ফোন করেন বিএনপির চেয়ারম্যানকে। তারেক শপথে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি গিয়েছিলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ওম বিড়লা। সেই ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আাইরপাল হয়। এবং মোদি যে চিঠি পাঠিয়েছিল সেই চিঠিও তারেকের হাতে তুলে দেন। মোদী, তারেককে সপরিবারে আমন্ত্রণ জানান ভারতে। এর মধ্যে
ভারতীয় গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞদের কিছু মন্তব্য প্রকাসিত হয়েছে। তারা বিএনপিকে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ককে একমাত্র উন্নয়নের পথ বলে উল্লেখ করেছেন। ভারতে স্বরাজ্য ম্যাগাজিন প্রতিবেদনে লেখে, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। তেব এর মধ্যে ভারতের কোনও যোগাযোগ রয়েছে। তবে এর মধ্যেও রয়েছে আরও একটি প্রসঙ্গ। ২০২৪ র শেখ হাসিনার পতনের মহম্ম্দ ইউনূস ক্ষমতায় আসে। ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক খুবই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশীদের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ভারত সমস্যায় পড়ে বহু মানুষ। বাংলাদেশের জন্য ভারতের সুবিধা ট্রানজিট বন্ধ করে দেয়। দুই দেশের একবার সরকাররা মিটিংয়ে বসুক তার জন্য অনেক কষ্ট করতে হয়। ব্রিকস সম্মেলনে দুদেশের আলোচনা হলেও সেই আলোচনায় কথাবার্তা থেকে শুধু অভিযোগ উঠতে থাকে। একে অপরের বিরুদ্ধে। দেড় বছরের খার সম্পর্ক গত দেড় মাসে ক্রমশই মধুর হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ আমি বলিছি, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক। গত দেড় মাসে কয়েকটি গুরুত্ব পূর্ণ প্রতিনিধি বাংলাদেশে যায়। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কথা বলেছেন শীর্ষ নেতা তারেকের সঙ্গে। প্রশ্ন দেড় বছরের টানাপোড়েন হঠাৎ করে মসৃণ হয়ে গেল। আওয়ামী লীগের সহ্গে বন্ধুত্ব থাকার সত্ত্বেও বিএনপির দিকে ঝুকল ভারত। এর পিছনে কী কোনও কৌশল গত হিসাব নিকেশ আছে। ইউনূসের আমলে ভারতের প্রতি অনেক বিদ্বেষ তৈরী হয়েছে। ভারতেরও ঠিক তাই অনেক বিদ্বেষ বেড়েছিল। বিশেষ করে চিকেন নেক, সেভেন সিস্টার নিয়ে হুমকি। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ। চিন্ময়কৃষ্ম প্রভুকে আটক। চিন পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব। ভারতের জন্য এসব উদ্বেগের কারণ। ভারত সেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। ভারতে থেকে শেক হাসিনা একের পর এক মন্তব্য করেছে। আওয়ামী লীগ কর্মীদের বার্তা দিয়েছেন। ভোটে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা তারা অংশ নেয়। শেখ হাসিনা বলেছিল, নো বোট, নোট ভোট। এখন দেখার ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক কেমন হয়। আওয়ামী লীগদের থেকে ভালো না খারাপ নজর থাকবে প্রত্যেকের।












Discussion about this post