১৯৬২ তে চীনের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধে ভারত হারলেও, যে শিক্ষা তখন ভারত পেয়েছিল, সেই অভিজ্ঞতার কারণেই ভারত আজ বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলির মধ্যে একটি।৬২র যু্দ্ধে চীনের সেনার হাতে ভারত পর্যদুস্ত না হলে, ভারত কোন দিনই সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করার বিষয়ে মনযোগ দিত না। ঠিক তেমনই বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলোন না হলে, ভারত বুঝতে পারত না তার সামনে কোন কোন বিপদ লুকিয়ে আছে । চিকেন নেক যে কতটা ভয়ঙ্কর ভাবে ভারতকে ভাবিয়ে তুলতে পারে, ভারতের অখন্ডতাকে কতটা হুমকির মুখে ফেলতে পারে, তা অজানা থেকে যেত বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলোন না হলে। স্বাধীনতার এত বছর ধরে ভারতের কাছে একটি সরু রাস্তা ছিল তার সেভেন সিস্টারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য। কিন্তু ইউনূস বাহীনির লাগাতার চিকেন নেক দখল, চিকেন নেক দখল করব বলে চিৎকার করার কারণে, ভারতের সামনে আজ আর একটি সরু রাস্তা নয়, ঐ চিকেন নেকের নিচে তৈরী হচ্ছে মাটির নিচে দিয়ে রেলপথ, যা অভেদ্য কেলার মত করে বানানো হবে। যেখানে আপাতকালীন পরিস্থিতিতে সেনা মজুত করে রাখা যাবে, অর্থাৎ এই রেলপথ শুধু রেল পথ নয়, চিন পাকিস্তান এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশের ঘুম উড়িয়ে দিতে পারে। এই রেলপথটি কৌশলগত ভাবে এমন ভাবে বানানো হয়েছে যে শিলিগুড়ি করিডরের সঙ্গে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে যোগাযোগ রাখা যায়। এছাড়া চিকেন নেকের কাছে যে তিনটি সেনাঘাঁটি তৈরী করা হয়েছে তার কাছ দিয়েই যাবে এই রেলপথ।ফলে এই পথ দিয়ে সেনা সামরিক সরঞ্জাম এবং আপাতকালীন পরিস্থিতিতে যে কোন সাহায্য পাঠানো যায়। ফলে কোন কারণে চিকেন নেক বন্ধ হয়ে গেলেও, এই সুড়ঙ্গ পথটি দিয়ে সমস্ত যোগাযোগ রাখা যাবে, সেই সঙ্গে এই সুড়ঙ্গ পথটিকে বাঙ্কার হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। যদি জুলাই না হত তবে ভারত মাটির নিচে দিয়ে এই রেলপথের কথা ভাবত না। এছাড়া এই বছরই আসামের রাস্তাকে এমন ভাবে বানানো হচ্ছে যে, হাইওয়েতেই বিমান উঠা নামার সুবিধা পাবে বিমান বাহীনি।এছাড়া ভারতেই এই উত্তর পূর্ব রাজ্য আসামেও চলছে আর এক নির্মান কাজ। ব্রহ্মপুত্র নদের নিচে দিয়ে প্রায় ১৬ কিলোমিটার সুড়ঙ্গ পথ নির্মানের অনুমোদন দিয়েছে মোদি সরকার। এই সুড়ঙ্গের একটি পথ দিয়ে চলবে রেল, অন্য পথ দিয়ে চলবে যানবাহন। ৬ ঘন্টার দূরত্ব কমে আসবে কয়েক মিনিটেই। এমনিতেই শিলিগুড়ি করিডরকে অভেদ্য দুর্গে পরিনত করেছে ভারত, ফলে এই সব সাবধানতা ভারত নিত না যদি না জুলাই ভারতের চোখ খুলে দিত। তবে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে হাসিনা আমলে যেমন সম্পর্ক ছিল, তেমনই বোজায় রাখতে চায় ভারত। তাই ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সমাজ মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো থেকে শুরু করে, ফোনে আলাপচারিতা করার পাশাপাশি, স্পিকার ওম বির্লার মাধ্যমে তাকে স্বপরিবারে ভারতে আসার আমন্ত্রনও দিয়ে রেখেছেন। বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মির্জা ফকরুলও বলেছেন যে, হাসিনার কারণে ভারতের সঙ্গে ব্যবসায়িক রাজনৈতিক এবং কুনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হবে না। সব দিক দিয়ে দেখলে এই জুলাইয়ে ভারতের আপেক্ষিক কিছু সমস্যা হলেও অদূর ভবিষ্যৎকে সুরক্ষা দেওয়া গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post