নৌকা ডুবেছে অনেক আগেই, শকুনে ছিঁড়ে খাবে ধানের শীষ।আগুন বারুদ সব শেষ, বাকি আছে শুধু বিষ আর বিষ। যদিও বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে শুধু নয়, জেল থেকে জল সব খানেতেই বিষ আর বিষ। তাই তো আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা জেলের মধ্যেই ধিরে ধিরে মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ছেন, সংখ্যালঘুরা নিজেদের দোষারোপ করছে সে দেশে জন্মগ্রহণ করার জন্য। দেশের শাসন থেকে প্রশাসন, সমাজ থেকে রাষ্ট্র, এমনকি দেশ রক্ষার ভার যাদের উপর, সেই সেনাবাহীনিতেও বিষের প্রভাব শুরু হয়েছিল ৫ই আগস্ট থেকেই। ঠিক ভোটের আগে যা মারাত্মক আকার ধারণ করল।জানা যাচ্ছে এনএসআই থেকে একটি মেমো পাঠানো হয়েছে সব গুরুত্বপূর্ণ দফতরের প্রশাসনিক কর্তা থেকে শুরু করে রির্টানিং অফিসার সকলকে। যাতে একটি নিদৃষ্ট দলকে যেন জেতানো হয়। আর এটি মিথ্যে না হওয়ার কারণ, এনএসআই এটিকে মিথ্যে বলে কোথাও দবী করেনি। যদিও সরকার বলছে এগুলি মিথ্যে প্রচার।
সে যাই হোক এই ভোটে সেটাই হবে, যেটা চাইছে ডিপস্ট্রেট এবং পাকিস্তান। পাকিস্তান তো এই ভোটে জামাত এবং এনসিপিকে ফান্ডিং করছে। শোনা যাচ্ছে গণভোটের ফল আগে ঘোষনা করা হবে। আর সেখানে হ্যাঁ ভোটকে জয়ী করা হবে, তা তো ঠিক হয়েই আছে। এবং জামাত এনসিপি মিলে উগ্রবাদীদের সঙ্গে নিয়ে বিজয় মিছিল বার করবে, তার পর তো আর বাংলাদেশে বিষ আগুন আর বারুদের গন্ধ ছাড়া কিছুই থাকবে না। আর এটি এই জন্য হবে যে বিএনপি ভেবেই নিয়েছে তারা ক্ষমতায় আসছে, সেটি যখন হবে না তখন তারা রাস্তায় বেরিয়ে আসবে। কিন্তু তারা যে ভুলটি ৫ই আগস্ট করে রেখেছে, তার ফল তো তাদের ভোগ করতেই হবে। যেখানে জামাত তার নিজের লোকদের প্রশাসনের সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গুলিতে বসিয়েছে, তাদের ম্যাকানিজম কাজে লাগানোর জন্য। সেখানে বিএনপি বাস স্ট্যান্ড, ট্যাক্সি স্ট্যান্ড, ট্যাম্পু স্ট্যান্ড দখলে ব্যস্ত ছিল। চাঁদাবাজি করে যেমন বদনাম হয়েছে, অন্যদিকে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিও হাতছাড়া হয়েছে।যদিও এটি একটি বিশ্লেষন মাত্র। প্রশাসনে শুধুই যে জামাত পন্থিরা আছে তাও নয়। ফলে নির্বাচনে কারচুপি রুখতে বিএনপি এবং বিএনপি প্রন্থি প্রশাসনিক কর্তারা কতটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে সেটিই দেখার। যার উপর নির্ভর করছে মুক্তি যুদ্ধের সূর্য চিরতরে ডুবে যাবে, নাকি মেঘ কুয়াশা কাটিয়ে আবার নতুন আলো নিয়ে পূবদিগন্ত আলো করবে। এটি তো এখন বোঝা যাচ্ছে ডিপস্ট্রেটের এত টাকা ঢালা হয়েছে সেটি বিএনপির জন্য নয়। কারণ দ্বীপ,বন্দর এই সরকার সব বিক্রি করে দিলেও, করিডর দিতে পারেনি, সেখানে সেনাবাহীনির সঙ্গে বিএনপিরও বিরাট একটা বাধা ছিল, বিএনপি চায়নি অর্নিবাচিত সরকার করিডরের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিক। তাই ডিপস্ট্রেট বিএনপিকে ভরসা করবে না। তবুও আর মাত্র ১২ অথবা ২৪ ঘন্টা পর উন্মোচিত হতে যাচ্ছে জুলাই রহস্য। জানি সবাই এক বাক্যে বলবেন, রহস্যের কিছু কি বাকি আছে, প্রথমে হাসিনা বলতেন ডিপস্ট্রেট আর তার পর ট্রাম তো হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছেন। ফলে যারা আমেরিকা,জাতিসংঘ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপর ভরসা রাখেন, তারা একটু এফস্টিন ফাইলের দিকে নজর দিতে পারেন। এই পৃথিবীতে কোন দেশ বিনা স্বার্থে কোন দেশের জন্য কিছু করে না। আর এই কমিশনগুলো হল, যাদের ক্ষমতা বেশী তাদের স্বার্থ রক্ষা করার একটি অস্ত্র। কারণ এই মানবতার মুখোশধারী কমিশনগুলোকে চালাতে এই ধনী দেশগুলিই তো অর্থ দেয়। সেটি কি নিজেদের স্বার্থ না দেখে অন্য দেশগুলিতে মানবাধিকার রক্ষা করা হচ্ছে কিনা সেটি দেখার জন্য? নিশ্চয় নয়। হাসিনা বা আওয়ামীলীগ থেকে সবাই বলছে ভোট দিতে যাবেন না। এই অবৈধ ভোট বয়কট করুন। পথে নেমে প্রতিরোধ ছাড়া দেশটি বাঁচানোর কোন উপায় আছে কি। কিন্তু আঠারো মাস ধরে আওয়মীলীগের নেত কর্মিদের উপর যে অত্যাচার করা হয়েছে, সর্ব স্তর থেকে তাদের কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফলে আওয়ামীলীগ একা কিছুই করতে পারবে না। তবে এটি নিশ্চিৎ আরও হিংসা এবং বিচ্ছিন্নতার অন্ধকারে ডুবতে যাচ্ছে দেশটি।












Discussion about this post