এবার এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনাকে ঘিরে বিস্ফোরক বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। এসএসসি ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিলের পর সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল কোনভাবেই অযোগ্যদের আর সুযোগ নয়। তারপরও অভিযোগ অযোগ্যদের নিয়োগ করার চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকার ও স্কুল সার্ভিসকমিশনকে ভর্ৎসনা করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মন্তব্য ছিল এটা লজ্জাজনক ঘটনা। এসএসসি এই ঘটনায় প্রায় ২৬০০০ জনের চাকরি চলে গিয়েছিল এবং পরে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকেও ঠিক একই রায় ঘোষণা করা হয়েছিল।
পাশাপাশি ,বৃহস্পতিবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ শুনানির সময়ে কড়া মন্তব্য করেন এবং জানান, এসএসসি-র কোনও যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় পাশাপাশি প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যে কেন অযোগ্য প্রার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় কমিশন কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিল এবং আদালতের স্পষ্ট বার্তা, অযোগ্যদের পরীক্ষায় বসতে দিলে তার ফল ভুগতে হবে।
১৯ আগস্ট, এসএসসি চাকরি বাতিল মামলায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই রায়ে বড় ধাক্কা খেয়েছিলেন শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীরা, এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারও অস্বস্তিতে পড়েছিল। এবার অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ নিয়ে কড়া অবস্থান নিল শীর্ষ আদালত। আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরীক্ষা হওয়ার কথা। কয়েকজন প্রার্থী এই পরীক্ষা স্থগিত রাখার আর্জি জানান।এবং তাঁদের অভিযোগ, অনেক অযোগ্য প্রার্থীকে এখনও পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।
একটি বেসরকারি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিকাশবাবু বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আগেই এই কথা বলেছিল তবে তৃণমূল সরকার তা করবে না। সুপ্রিম কোর্ট ৭ দিন সময় দিয়েছেন। তবে আমি আপনাদের বলতে পারি ওরা এখনো সততার সঙ্গে সেই তালিকা পাবলিক করবে না। বিকাশ বাবুর কথায়, ওরা জানে যাদের থেকে টাকা নিয়েছে তাদের নাম বেরিয়ে এলে বিপদ তাই কোন কাজই ওরা সততার সঙ্গে করবে না।
পাশাপাশি,বিচারক বলেন আপনাদের জন্যই যোগ্যরা চাকরি হারিয়েছে তাদের জীবন নষ্ট হয়েছে রাস্তার নামটি বাধ্য। এবং নিজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন আর আমাদের দোষারোপ করা হচ্ছে? কি হচ্ছে এটা? হুঁশিয়ারি দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলে আদালত কিন্তু কোন কমিশনের কাজের ওপর কড়া নজর রাখছে। নির্দেশ নিয়ে কারচুপি করা হচ্ছে দেখতেই সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করবে।












Discussion about this post