সুপ্রিম রায়ে চাকরি গিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের। যা ঘিরে উত্তাল গোটা রাজ্য। আন্দোলন প্রতিবাদে মুখরিত কলকাতার রাজপথ। রাজ্য শিক্ষা দফতরের তরফেও আশ্বস্ত করা হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু দিশেহারা চাকরিহারারা। এইবার কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চাইছেন চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ। প্রধানমন্ত্রীর গলায় যখন আশ্বাসের বাণী, তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রত্যাখিত হলেন চাকরিহারারা। মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে হাজির হওয়ার আগেই পুলিসের হাতে আটক প্রায় ৪০ জন বিক্ষোভকারী।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো নতুন করে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন করে শুরু হয় ফের চাকরিহারা শিক্ষকদের বিক্ষোভ। হাজরা মোড় থেকে কালীঘাটের দিকে তাদের মিছিল রওনা দিতেই বিক্ষোভকারীদের আটকানোর চেষ্টা করে পুলিশ। এমনকি শুরু হয় ধরপাকড়। ৪০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। আসলে মুখ্যমন্ত্রী মুখে আশ্বাস দিলেও তাদের আটকে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চাইছে চাকরিহারারা।অন্যদিকে বঙ্গ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আলিপুরদুয়ারে জনসভা করলেন তিনি। আর সেই জনসভা থেকেই চাকরিহরাদের উদ্দ্যেশে বেশ কিছু বার্তা রাখলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। ঠিক কি বলেছেন চাকরিহারা শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে, শুনুন
প্রধানমন্ত্রী চাকরিহারাদের সঙ্গে দেখা করলেন না ঠিকই, তবে আশ্বস্ত করলেন। তবে প্রশ্ন উঠছে, আদেও কি তাদের কথা ভাববেন তিনি?
এদিকে ত্রিপুরায ১০ হাজার শিক্ষক চাকরি হারানোর পর মোদি সরকার বা সে রাজ্যের বিজেপি সরকার কোনওরকম পদক্ষেপ নেয়নি। আর এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল শাসিত রাজ্যে এই ধরনের ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকার কতটা উদ্যোগী হবেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। এদিকে জানা যাচ্ছে, এসএসসির চকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ, যারা অযোগ্য বলে চিহ্নিত হয়েছেন, তারা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াতে যোগ দেওয়ার জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং রিভিও পিটিশন বিচারাধীন থাকার ফলে হাইকোর্ট সেটি হস্তক্ষেপ করবে না।












Discussion about this post