১৩০ তম সংশোধনী বিল পেশ করতে চলেছেন আমিত শাহ,সংবিধানে হতে চলেছে এক গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী।যেখানে ছাড় পাবে না কোনো মন্ত্রীত্ব।
জেলে গেলে যেতে পারে মন্ত্রীত্ব। আজ লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ। ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিল পেশ করবেন । ছাড় পাবেন না প্রধানমন্ত্রী ,মুখ্যমন্ত্রীরাও । গ্রেফতার হলে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণে নতুন বিল আনছে কেন্দ্র। পাশাপাশি জানা যাচ্ছে ,প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ থাকলে অপসারণ। ৩০ দিনের বেশি জেল হেফাজতে থাকলেই অপসারণ। ৫ বছরের জন্য জেলে থাকলে সহজেই অপসারণ ।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, তিনি এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানাবেন। আর অন্যদিকে, রাজ্যের ক্ষেত্রে রাজ্যপাল এই পদক্ষেপ করবেন।
আর তাতেই তীব্র আক্রমণ কেন্দ্রকে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রকে বিঁধতে অভিষেক তুলে আনেন PoK প্রসঙ্গও!
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, ‘বিরোধী দল এবং সমগ্র জাতির সমর্থন করার পরেও কেন্দ্রীয় সরকারের এখনও পিওকে পুনরুদ্ধার করার সাহস নেই।
এই সরকার নিজেকে কৃষকবিরোধী, গরিববিরোধী, জনবিরোধী,উপজাতিবিরোধী, তফসিলি জাতিবিরোধী,ফেডারেলবিরোধী, ওবিসি-বিরোধী, এবং সর্বোপরি ভারতবিরোধী হিসেবে প্রমাণ করেছে। ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবছে দেশটাকে ।বিক্রি করছে দেশের সংবিধান ।
এর পাশাপাশি তিনি আরো লেখেন, কেবল ফাঁকা বক্তৃতা দেয় তারা, কিন্তু যখন ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আমাদের সীমান্ত রক্ষা এবং আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে কাজ করার কথা আসে, কোনও প্রকৃত উদ্যোগ তখন এরা কেউ দেখায় না।
রাজ্য সরকারকে ফেলতে সবরকম চেষ্টা করছে কেন্দ্র।’ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিষেক।অভিষেকের বন্দোপাধ্যায়ের কথায়, ‘ কেন্দ্র জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
পাশাপাশি, বরাবর সিবিআই-ইডি-র মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে কাজে লাগিয়ে বিরোধী নেতাদের বা মুখ্যমন্ত্রীদেরও জেলে ভরা হয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের ।তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে জেলে ছিলেন, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণ হয়নি । এই বিল আনার অর্থ বোঝাচ্ছে ,যে নির্বাচিত সরকার রয়েছে তা ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করা। সেই বিষয়টিকে উল্লেখ করেই পোস্ট করেছেন অভিষেক।
পাশাপাশি এই বিষয়ে তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলতে শোনা গিয়েছে ‘একদিকে যেমন ভোট চুরি করে জেতার চেষ্টা করে ঠিক সেই ভাবে আর একদিকে যে সব জায়গায় ভোট চুরির পরও জিততে পারে না, সেখানে চুরির চেষ্টা করে সরকার।
পাশাপাশি বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এর মুখে শোনা যায় , যারা ‘চুরি করে ভোটে জিতে এসেছে তাদের থেকে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বলা কোনো কথাই সাজে না। কাশ্মীর নিয়ে ভাবার অনেক লোক রয়েছে ভারতের,তবে এ রাজ্যে দিনহাটা, নানুর, ইলামবাজার, কালিয়াচকের মতো অনেক ছোট ছোট কাশ্মীর রয়েছে সেগুলোকে শান্ত করুক।’
সংবিধানে হতে চলেছে এক গুরুত্বপুর্ণ সংশোধনী বলে জানা যাচ্ছে ।












Discussion about this post