একে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য তার উপর রয়েছে পাকা বাড়ি। অথচ পঞ্চায়েত সদস্যের অ্যাকাউন্টেই ঢুকল আবাসের প্রথম কিস্তির টাকা। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে।
গোঘাটের হাজিপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য বন্দনা কুণ্ডুর পাকা বাড়ি রয়েছে। বর্তমানে দোতলার কাজ চলছে। তা সত্ত্বেও তিনি কিভাবে আবাস যোজনার বাড়ি পেলেন। যেখানে বহু মানুষ এখনও আবাস যোজনার বাড়ির জন্য নেতাদের দুয়াড়ে দুয়াড়ে ঘুড়ছেন সেখানে তৃণমূল সদস্যের দোতলা বাড়ি থাকার পরেও আবাস যোজনা বাড়ির প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। বিরোধীদের অভিযোগ দলীয় প্রভাব খাটিয়েই তিনি আবাসে নাম তুলেছেন।
যদিও ওই পঞ্চায়েত সদস্যের দাবি, অনেক আগে তিনি বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন তখন তাঁর মাটির বাড়ি ছিল। এখন তাঁদের শ্বশুর বাড়িতে যৌথ পাকা বাড়ি হয়েছে, তাই এখন বাড়ির টাকার তাঁর প্রয়োজন নেই। সেই কারণে টাকা ফেরতের জন্য তিনি আবেদনও করেছেন পঞ্চায়েত সদস্য বন্দনা কুণ্ডু।
তবে বিজেপির দাবি, ধরা পড়ে যেতেই উনি এখন নাটক করছেন। ফেরত দেওয়ার হলে আগে নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন করেননি কেন। তৃণমূলের সকলেই প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন।
তৃণমূল নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই গরিব মানুষকে বাড়ি দিচ্ছেন।












Discussion about this post