১৪ ই এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে ফিশিং ব্যান পিরিয়ড। আর সেই সময় প্রতি বছর নজরদারি এড়িয়ে মাছ ধরেন অনেক মৎস্যজীবী। সেগুলি পুরোপুরি বন্ধ করতে সকলের এগিয়ে আসতে হবে বলে মত মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির।
১৪ ই এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে ফিশিং ব্যান পিরিয়ড। আর সেই সময় প্রতি বছর নজরদারি এড়িয়ে মাছ ধরেন অনেক মৎস্যজীবী। সেগুলি পুরোপুরি বন্ধ করতে সকলের এগিয়ে আসতে হবে বলে মত মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির।
অনেক সময় দেখা যায় ছোট মাছ ধরাও হয় এই সময়। এভাবে খোকা ইলিশ ধরা হলে, আগামীদিনে বড় ইলিশ পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষজন। প্রশ্ন তুলেছেন মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরা।
এই নজরদারিতে প্রশাসনের গাফলতি থেকে যায় বলে দাবি মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে হারাধন ময়রা। এ নিয়ে তিনি জানান ছোট ইলিশ ধরা বেআইনি কাজ। প্রশাসনের এই দিকে নজর দেওয়া উচিৎ। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে ভোজন রসিক বাঙালির পাতে ইলিশের যোগান দেওয়া যথেষ্ট কটসাধ্য হয়ে উঠবে।
বারে বারে প্রশাসনের তরফ থেকে ছোট মাছ ধরা যাবে না বলে মিটিং করে বলা হয়েছে মৎস্যজীবীদের। তার পরেও যদি কেউ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে সেক্ষেত্রে প্রশাসন অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করুক।
এই ধরণের কাজ বন্ধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধিই একমাত্র লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এখন দেখার ভবিষ্যতে এই কাজ কতটা বন্ধ হয়। তবে ব্যান পিরিয়ড রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে মাছ পাওয়া যাবেনা বলে মত তাদের।
আর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরে একে একে টলার নিয়ে ঘাটে ফিরছে মৎস্যজীবীরা।
মৎস্যজীবীদেরকে দশ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার , রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানায় মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরা।
কলকাতা হাইকোর্ট বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ তুলে নিয়েছে। গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত নির্দেশ দেন শুভেন্দু...
Read more












Discussion about this post