আবারো পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। সন্দেশখালি- আরজি কর কাণ্ডের পর এবার কসবা কান্ড নিয়ে পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলল খোদ শাসক দল। শাসকদলের নেতার উপর হামলায় প্রশ্নের মুখে শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে কেউ প্রশ্ন তুলছেন, ইনটেলিজেন্স নিয়ে, কেউ বলছেন গয়ংগচ্ছ রুটিন। পুলিশকে নিয়ে প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক শাসক নেতার ক্ষোভ। সুশান্তকে গুলির ঘটনায় রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার বিষয়ে পুলিশকেই নিশানা করলেন দমদমের সাংসদ। কসবা কাণ্ডে রীতিমতো পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। সাংসদ সৌগত রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব কাছের। কিন্তু তিনিই বাংলার আইন শৃঙ্খলা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলে গেলেন। তাহলে কি এবার তিনিও একটু বিরক্ত? কসবা কাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশ পুজোর সময় ভাল কাজ করেছে। পুলিশকে তো মাস মাইনে দেওয়া হয়। কলকাতা শহরে বিহার থেকে পিস্তল আসছে। সীমান্তে দেখার কোন লোকজন নেই। পুলিশ কি করছে? পুলিশ কাউকে ধরতে পারছে না। এটা আমাদের ভাবতে হবে।’ ওই ঘটনার পর কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের গলায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ শোনা গিয়েছে। শনিবার ফিরহাদ হাকিম কসবায় শুটআউট প্রসঙ্গে বলেন, ‘এনাফ ইজ এনাফ। উত্তরপ্রদেশের কালচার এখানে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। বাংলা সংস্কৃতির জায়গা। পুলিশকে বলব, অ্যাক্ট নাও। পুলিশ কোথায়? সুশান্তের পরিবারের পাশে আছি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাইরের ক্রিমিনাল। কী কী করছে তারা! মুখ্যমন্ত্রী বার বার সতর্ক করেছেন, বাইরের রাজ্য থেকে যেন দুষ্কৃতীরা না ঢুকতে পারে। সীমানাগুলোয় নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কীভাবে ঢুকছে তারা? পুলিশকে বলছি, এদের দ্রুত গ্রেপ্তার করো। আমি চাই, কোনও অপরাধী থাকবে না।’ কিন্তু তৃণমূল কাউন্সিলরের উপর হামলার ঘটনার পরই কেন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত সমালোচনা? প্রশ্ন তুলে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধীরা। কারণ পুলিশ মন্ত্রী তো স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোথাও না কোথাও কি তাহলে মমতার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তার নিজেরই দল? প্রশ্ন থাকছেই।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post