শুরুটা হয়েছিল সন্ন্যাসী দিয়ে। তারপর সাংবাদিক, পর্যটক থেকে সাধারণ মানুষ। হিন্দু হলেই হামলা নেমে আসছে বাংলাদেশে। বাড়ি দোকান ভাঙচুর করে লুঠ চলছে অবাধে। পুলিশের কাছে গিয়েও লাভ হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে, কাল সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিন মামলার শুনানি আছে বাংলাদেশের আদালতে। অন্যদিকে চিন্ময়কৃষ্ণের পর আরও চারজন সন্ন্যাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরপর মিথ্যা মামলা সাজানোর অভিযোগ উঠছে। রেহাই পাচ্ছেন না সেদেশের সাংবাদিকরাও। এরই মধ্যে খবর আসছে, ইউনূসের স্পর্ধাতেই বাংলাদেশের জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত। শেখ হাসিনা জমানার পতনের পরেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছে জঙ্গি আর মৌলবাদীদের আস্ফালন। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের মদতে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ফের প্রকাশ্যে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হিয়বুত তাহরী, হুজি জঙ্গিরা। শুধু তাই নয়, কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের পতাকা নিয়েও রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রকাশ্যেই মিছিল করছেন মৌলবাদীরা। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যদের হাতে তিনিই তুলে দিয়েছিলেন বিদেশি অস্ত্র। আন্দোলনের সময়ে পুলিশ নিধনে সেই বিদেশি অস্ত্রই ব্যবহার করেছিলেন ইসলামী ছাত্র শিবির ছাত্র দলের ক্যাডাররা। শেখ হাসিনার পতনে দু’হাতে ছড়িয়ে ছিলেন টাকা। এবার সেই কুখ্যাত অস্ত্র ব্যবসায়ী তথা পাচারকারী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে এক মঞ্চে হাজির হলেন মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব তথা হিন্দু নিধন যজ্ঞের অন্যতম পুরোধা শফিকুল আলম। আর ওই ছবি সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই সরব হয়েছেন অনেক নেট নাগরিক। ববি হাজাজ্জের বাবা মুসা বিন শামসের গোটা বাংলাদেশের মানুষের কাছে কুখ্যাত আদম ব্যাপারী বা মানব পাচারকারী হিসাবেই পরিচিত। তবে নিজেকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির জনক হিসেবেও দাবি করেন। বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে শ্রমিক হিসাবে হাজার-হাজার মানুষকে সরবরাহ করেন। বিদেশে পাঠানোর নাম করে কোটি-কোটি টাকা আত্মসাত করেন। পরে শুরু করেন বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনকে অস্ত্র বিক্রি। বর্তমানে তারই বার বারান্ত চোখে পড়ছে বাংলাদেশে। এখানেই শেষ নয়। শেখ হাসিনার জমানায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর প্রথম সারির নেতা ছিলেন মাহফুজ আলম। পাকিস্তানি আইএসআইয়ের ‘ডিপ অ্যাশেট’ হিসাবে পরিচিত নেতা ক্ষমতার পালাবদলের পরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী পদে আসীন হয়েছেন। আর সরকারি পদ বাগিয়ে ভারতে নাশকতা চালাতে নয়া খেলা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যেই ক্ষমতা খাটিয়ে জেল থেকে সতীর্থ হিযবুত তাহরীর কুখ্যাত জঙ্গিদের ছেড়ে দিয়েছেন। এবার ওই কুখ্যাত জঙ্গিদের রোগী সাজিয়ে চিকিৎসার নামে পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পাঠিয়ে নাশকতার ছক কষেছেন। ইতিমধ্যেই ওই ছক জানতে পেরে বাংলাদেশে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রকে বিশেষ সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। মেডিকেল ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ভারত। আবেদনকারীদের আবেদনপত্র রিভিউ করার জন্য নর্থ ব্লকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিজের ফেসবুক পেজে গর্জে উঠে তসলিমা নাসরিন একটি পোস্ট করেছেন, যাতে লেখিকা লিখেছেন,’ জঙ্গি পতাকায় ছেয়ে গেছে দেশ। দেশের পতাকা পড়ে থাকে একা, জবুথবু, পড়ে থাকে জঙ্গি পতাকার নিচে।’ বাংলাদেশে স্বাধীনতার নামে উল্লাস করা সেদেশের কিছু জনতাকে দেশের পতাকার পাশাপাশি জেহাদি মৌলবাদী সংগঠনের পতাকাও ওড়াতে দেখা গিয়েছিল। সেই ছবি তুলে ধরে তসলিমা নাসরিনের প্রশ্ন ছিল, ‘এই পতাকাটি কি স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন পতাকা?’ প্রসঙ্গত, আওয়ামি লীগ সরকারের পতনের পরই, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এই নিষিদ্ধ সংগঠনের উপর থেকেনিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এই হিজবুত তাহেরীর নেতা মাহফুজ আলম বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের একজন উপদেষ্টাও বটে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post