মহিলা সাংবাদিককে যৌন হেনস্থার অভিযোগে সাসপেন্ডেড সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যকে বরানগর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এদিন। যদিও পাল্টা চক্রান্তের তত্ত্ব খাঁড়া করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য। গোটা ঘটনায় নানা দাবি করছেন তন্ময়। কখনও তিনি বলেছেন, মজা করেছেন। এমনটা তিনি সবার সাথেই করে থাকেন। আবার ৮৩ কেজি, ৪০ কেজির তত্ত্ব খাড়া করেছেন। এবার প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে কটাক্ষ কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রর। মদনের বক্তব্য, ‘কোনও মহিলার সম্মতি ছাড়া তাঁকে অত্যাচার করা হলে তা লেনিনবাদ বা মার্কসবাদ ব্যাখ্যা দিয়ে চেপে দেওয়া যাবে না। এটা যদি তৃণমূল কংগ্রেসের কারও বিরুদ্ধে হত, আমার বিরুদ্ধে হত মাথা ন্যাড়া করে ঘুরে বেড়াত সব। এটা ঠিক না। তন্ময়বাবু মনে রাখবেন ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেয় করেছেন আপনারা। কোনও মহিলার সম্মতি ছাড়া তাঁকে অত্যাচার করা হলে তা লেনিনবাদ বা মার্কসবাদ ব্যাখ্যা দিয়ে চেপে দেওয়া যাবে না। আমাদের ছেলেমেয়েরা কালকেই মিছিল বের করছে।’ এদিকে এই ঘটনা নিয়ে তন্ময়ের সাফাই, ‘ভদ্রমহিলা আমার বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে। আমার পাশের বাড়ির এক যুবক আমায় রাতে জানিয়েছে যে মেয়েটি হাসতে হাসতেই বাড়ি থেকে বেরোচ্ছিলেন। মেয়েটি ফেসবুক লাইভে বলেছেন যে উনি শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। আমার বক্তব্য হল যে সময়ের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তারপরে মেয়েটি প্রায় ২৫ মিনিট আমার সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এরপর আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে সল্টলেকে সাক্ষাৎকার নেওয়ার কথা ছিল। যিনি এতটা ট্রমাটাইজ হয়ে রয়েছেন তাঁর পক্ষে কি এত কাজ করা সম্ভব?’ এখানেই শেষ নয়, তন্ময় আরো বলেন, ‘ভদ্রমহিলার ওজন ৪০ কেজির বেশি নয়, আমার ওজন ৮৩ কেজি। ৮৩ কেজি ওজনের এক পুরুষ যদি ৪০ কেজি ওজনের এক মহিলার কোলে বসে পড়েন তাহলে সেই মহিলা শারীরিকভাবে ফিট থাকে কি না আমি জানি না। এটা পরিকল্পিত কুৎসা।’
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post