ডেমোক্র্যাট কমলা হ্যারিস বনাম রিপাবলিকান ট্রাম্পের মধ্যে তীব্র লড়াই হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফল বা এগিয়ে পিছিয়ে থাকার নিরিখে কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ২১০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট, ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ২৩০টি। হ্যারিস ৪৭ দশমিক পাঁচ ও ট্রাম্প ৫১ দশমিক এক শতাংশ ভোট পেয়েছেন। যে প্রার্থী ২৭০টি বা তার বেশি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পাবেন তিনিই জিতবেন। পাশাপাশি ট্রাম্প বা কমলা জিতলে পরিস্থিতি কেমন হবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে। কারণ এই দুই প্রার্থীর এক একজনের নীতি এক একরকম। অভিভাসন নীতিতে যেমন ট্রাম্প ‘কট্টরপন্থী’। কমলা নিজে ভারতীয় এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভূত। এই আবহে সেই ইস্যুতে তিনি ‘উদারপন্থী’। এদিকে ট্রাম্পের সমর্থকরাও ‘কট্টরপন্থী’। গতবার নির্বাচনের ফলাফলই মানেননি তাঁরা। এই সব মিলিয়ে নির্বাচনের ফল ফের আমেরিকায় ‘ঝড়’ তুলবে কি না, তা ভাবচ্ছে অনেককেই। অপরদিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ভারতের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জল্পনা কয়েক কোটি ভারতীয়রও। এখনও পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান উঠে এসেছে, তাতে হোয়াইট হাউসের দখল পেতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে এবার। ডেমোক্র্যাটসদের প্রার্থী কমলার সাফ বার্তা, “কাজে করে দেখানোর সময় এসেথে। আগামী দু’দিন অনেক কিছু রয়েছে। কিন্তু পরিশ্রমই শেষ কথা। পরিশ্রমই শেষ কথা বলে। কোনও ভুলের জায়গা নেই। আমরাই জিতব।” অন্য দিকে, ট্রাম্পের বক্তব্য, “আমেরিকাবাসীকে বলব, এভাবে বাঁচতে হবে না আমাদের। দুর্বল হয়ে বাঁচতে হবে না আমাদের। আপনাদের সমর্থন পেলে দেশের সব সমস্যা মিটে যাবে। আমেরিকাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সফল হব আমরা। আমার গোটা পৃথিবীকে উদ্ধার করতে পারব। আমাদের স্বীকৃতি দেবেন সকলে।”
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post