দিন যত এগোচ্ছে রাজ্যে বিদ্যুৎ এর চাহিদা যেন লাফিয়ে লাফিয়ে আরও বাড়ছে। তার সঙ্গে চাপও বাড়ছে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার। অনেক গ্রাহক ঠিক সময়ে বিদ্যুৎ বিল না মেটানোতে বেজায় সমস্যায় পড়ছে সংস্থা। তবে এই কাণ্ড শুধু গ্রাহকরাই করছে তা কিন্তু নয়, নানা সরকারি দফতরও বকেয়া বিল ঝুলিয়ে রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা অর্থাৎ WBSEDCL এর তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত নানা সরকারি দফতরের ১০০০ কোটি টাকারও বেশি বিল বকেয়া রয়েছে। আর সেই বকেয়া আদায়ের ক্ষেত্রে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদ। তাতে সায় থাকছে নবান্নরও। সম্প্রতি অর্থ দফতর সব সরকারি দফতরে প্রি-পেড মিটার বসানোর নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, বিভিন্ন ছোট সরকারি অফিসে এ বার প্রি-পেড মিটার লাগানোর কাজ শুরু হবে। অফিসগুলিকে নিয়ম মেনে মোবাইল ফোনের মতো বিদ্যুতের মিটার ‘রিচার্জ’ করাতে হবে। অর্থাৎ, আগাম দিয়ে রাখতে হবে বিদ্যুৎ খরচের টাকা। জমা রাখা টাকা শেষ হয়ে গেলে আপনা থেকেই মিটারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। মানে ‘আগে টাকা, পরে বিদ্যুৎ’ পদ্ধতি চাইছে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। অর্থাৎ রাজ্যের সরকারি দফতর ও কার্যালয়গুলিতে এবার থেকে আর পোস্টপেইড সিস্টেম থাকবে না, চলে আসবে প্রিপেড সিস্টেম। এর ফলে আগে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পরে বিল মেটানোর সুযোগ থাকছে না। পরিবর্তে মোবাইল ফোনের মতো অফিসগুলিকে নিয়ম মেনে বিদ্যুতের মিটার রিচার্জ করতে হবে। আগাম দিয়ে রাখতে হবে বিদ্যুৎ খরচের টাকা।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post