সরকারি কর্মীদের সময়ানুবর্তিতা ও কর্মসংস্কৃতি মজবুত করতে কড়া মনোভাব নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের অর্থ দফতর। সাম্প্রতিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, নবান্নে অর্থ দফতরের কর্মীদের কেবলমাত্র বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতেই হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে। খাতায় সইয়ের পুরনো পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। অর্থ দফতরের উপসচিব নাভেদ আখতার নির্দেশ দিয়েছেন যে, পদোন্নতি বা বদলির ক্ষেত্রে কর্মীদের যোগদানের দিনেই বায়োমেট্রিক ডেটা আপডেট করতে হবে। অন্যদিকে, অন্য দফতরে বদলি হয়ে গেলে ওই কর্মীর বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা বন্ধের জন্য আগাম জানাতে হবে। সরকারি কর্মচারীদের নির্দিষ্ট নিয়মের বেড়াজালে বাঁধতে বেসরকারি অফিসের মতোই ২০২৩ সালের মে মাসে অর্থ দফতর নবান্নে বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি চালু করে ৷ তবে, পাশাপাশি খাতায় সইয়ের পুরনো ব্যবস্থাও রেখে দেওয়া হয়েছিল। গত বছর শেষের দিকে সংসদের স্মোক অ্যাটাকের পর নবান্নের প্রতিটি ফ্লোরেও ফেস রেকগনিশন ক্যামেরা বসেছিল৷ কিন্তু এরপরেও সরকারি কর্মচারীরা বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স ঠিক মতো মানছেন না। সকলে বায়োমেট্রিক ব্যবহার না করায় মাসের শেষে কর্মীদের হাজিরা সংক্রান্ত রিপোর্ট বানাতে খুব অসুবিধা হচ্ছিল। এ বার আর সেই সমস্যা মিটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি নির্দেশিকা জারি করল অর্থ দফতর৷ নির্দেশে বলা হয়েছে, এত দিন বায়োমেট্রিকের পাশাপাশি খাতায় সই করার সুবিধা বজায় থাকলেও তা এ বার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ নবান্নে অর্থদপ্তরের কর্মীদের হাজিরার ক্ষেত্রে একমাত্র বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা হল। নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নবান্নে অর্থদপ্তরের সব বিভাগ এবং শাখার সর্বস্তরের কর্মীদের জন্য একমাত্র বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরাই ‘গ্রহণযোগ্য’ হবে। পদোন্নতি বা বদলি হয়ে যাঁরা নবান্ন আসবেন, যোগ দেওয়ার দিনই তাঁদের বায়োমেট্রিক সংক্রান্ত কাজ করে নিতে হবে।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post