বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর ‘পরিকল্পিত’ নির্যাতনের তীব্র বিরোধিতা করল ইস্টবেঙ্গল। লাল হলুদের অধিকাংশ সমর্থকের ‘শিকড়’ ওপার বাংলায়। সেকথা মনে করিয়ে ক্লাবের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হল, অবিলম্বে এই নিন্দনীয় নির্যাতন বন্ধ হওয়া উচিত। । বিজ্ঞপ্তিতে ইস্টবেঙ্গলের তরফে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা আমাদের ক্লাবের সমর্থকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে ।আমাদের সমর্থকদের অধিকাংশেরই পূর্বপুরুষের শিকড় পূর্ববঙ্গ তথা বাংলাদেশে। আমাদের অনেক সমর্থকের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনের দেশভাগের আগে এবং পরবর্তী সময়ে এবং’ ৬০ দশকে শেষের দিকে এবং ‘৭০ দশকের প্রথম দিকে এই ধরনের আক্রমনের শিকার হয়েছেন। আমরা তাদের থেকে প্রচুর ফোন এবং ই মেইল পাচ্ছি ,যেখানেই তারা আমাদেরকে এই বিষয়টি যথাযথ জায়গায় উত্থাপন করার অনুরোধ জানিয়েছেন। এমনকি আমাদের সমর্থকদের সমর্থকরা যারা পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের থেকে এসেছে তারাও বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বৃত্ত উদ্বিগ্ন।” লাল হলুদ সচিব রূপক সাহার তরফে জারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে ,”ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব দীর্ঘ ইতিহাসে জাতির নামে হিংসা, অত্যাচারের প্রতিবাদে সর্বদা সরব।” ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে,’ বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর এই ধরনের ব্যাপক নিপীড়ন বন্ধ হওয়া দরকার। আমরা সফল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করতে চাই যে তারা যেন দয়া করে এই সমস্যাটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সীমান্তের ওপারে আমাদের মা, বোন এবং ভাইদের বাঁচাতে এবং শান্তি স্থাপন করতে দিশা দেখান।” । উল্লেখ্য হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের চরম আকার নিয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতন। অভিযোগ ,বেছে বেছে রাষ্ট্রের মদতে আক্রমণ করা হচ্ছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর। ওপার বাংলায় হিন্দুদের উপর এই নির্যাতনে স্বাভাবিকভাবে ইস্টবেঙ্গল উদ্বিগ্ন ।হাজার হাজার লাল হলুদ সমর্থকদের পূর্বপুরুষ ওপারের বাসিন্দা। এমনকি এখনো বহু ইস্টবেঙ্গল সমর্থকের আত্মীয় রয়েছেন বাংলাদেশে। তাদের কথা ভেবে ভেবেই প্রতিবাদে সরব শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব।
বৃহস্পতিবার ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয় পাঞ্জাব কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস এর ম্যাচ। কিন্তু হামলার আশঙ্কায় ম্যাচ শেষ করা সম্ভব হয়নি। প্রথম...
Read more












Discussion about this post