অশান্ত বাংলাদেশ। আর এই পরিস্থিতিতে বড় মন্তব্য করলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। মঙ্গলবার তিনি হুঙ্কার দিয়ে জানান, ‘যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে সবসময় প্রস্তুত। নবীন সেনা কর্মকর্তাদের সামরিক চেতনাবোধের প্রতি দায়বদ্ধতা রাখতে হবে। বলা বাহুল্য, চট্টগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়েই নাম না করেই যুদ্ধের কথা বললেন ইউনূসের সেনাবাহিনীর প্রধান। গত ৫ অগস্ট বাংলাদেশে পতন হয়েছে হাসিনা সরকার। এরপরেই দায়িত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে ইউনূস। এরপর থেকেই বিপন্ন অবস্থা ওপার বাংলার। লাগাতার সেখানে চলছে হিংসা। জামাত এবং পুলিশ হিন্দু মন্দির ভাঙচুর থেকে শুরু করে সংখ্যালঘুদের ওপর চালাচ্ছে নির্মম অত্যাচার। একথায় বলা যায়, শাসন করার নামে উল্টে বাংলাদেশকে ধ্বংসলীলা পরিণত করছেন ইউনূসের সংগঠন। আর এবার তাঁরই গোষ্ঠীর সেনাপ্রধান যুদ্ধের হুঙ্কার দিলেন। একথায় বলা যায়, শাসন করার নামে উল্টে বাংলাদেশকে ধ্বংসলীলা পরিণত করছেন ইউনূসের সংগঠন। আর এবার তাঁরই গোষ্ঠীর সেনাপ্রধান যুদ্ধের হুঙ্কার দিলেন। বলা বাহুল্য, হাসিনার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের টালমাটাল অবস্থা। আর সেসময় যুদ্ধে নামার কথা বলে গোটা বিশ্বের কাছে কার্যত স্রেফ হাসির খোঁড়াকে পরিণত হলেন সেনাবাহিনীর প্রধান। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। তার মধ্যে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সেনা সংখ্যা আনুমানিক ৬৯ লক্ষ ৬৩ হাজার। যার মধ্যে সক্রিয় রয়েছে আনুমানিক ১ লক্ষ ৬৩ হাজার সেনা। বাংলাদেশে কোনও রিজার্ভ সেনা নেই। অপরদিকে, ভারতের সেনা সংখ্যা ৫১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫৫০। যার মধ্যে সক্রিয় সেনা রয়েছে ১৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫৫০। ভারতে রিজার্ভ সেনার সংখ্যাও ১১ লক্ষ ৫৫ হাজার। শুধু তাই নয়, পরিসংখ্যান বলছে বাংলাদেশে আধা সামরিক বাহিনী প্রায় ৬৮ লক্ষ। যার মধ্যে সেনা বাহিনীতে ১লক্ষ ৬০হাজার। বিমান বাহিনীতে ১৭হাজার ৪০০ জন। নৌ বাহিনীতে ২৫ হাজার ১০০ জন। এদিকে ভারতের কাছে আধা সামরিক বাহিনীতে রয়েছে ২৫লক্ষ ২৭ হাজার। যার মধ্যে সেনা বাহিনীতে ২১লক্ষ ৯৭হাজার ১১৭ জন। বায়ুসেনায় ৩ লক্ষ ১০হাজার ৫৭৫ জন। নৌবাহিনীতে রয়েছে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৫২ জন। ফলে বোঝাই যাচ্ছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে সেনাপ্রধান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার মহম্মদ ইউনূস দাবি করেছিলেন, ‘নতুন’ বাংলাদেশে হিন্দুরা সুরক্ষিত। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে হিন্দুদের উপর নির্যাতন নিয়ে তীব্র নিন্দার মুখে পড়েছে পদ্মাপারের দেশ। এই পরিস্থিতি সমগ্র বিষয়টিকে ‘অপপ্রচার’ বলে তুলে ধরতে উঠেপড়ে লেগেছে বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি নাম না করে ভারতের সংবাদমাধ্যমের দিকে আঙুল তুলেছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী। ভারতের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমিত করে শান্তি ফেরানোর বার্তা দিয়েছে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকূল আলমের বার্তার পরে সাউথ ব্লক সূত্রের বক্তব্য, শুধু ‘মুখের কথায়’ তো কাজ হয় না। অগস্ট মাস থেকে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সে দেশে, তাকে সংশোধন করে আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে তৎপর হোক বাংলাদেশের সরকার। সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় নিজের দায়িত্ব পালন করুক। আমরা জানি, গত ৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশের লাগাতার হিন্দু আক্রমণের ঘটনা সামনে আসছে। সদ্য সমাপ্ত দুর্গোৎসবেও রেহাই পায়নি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কিসের হিন্দু সুরক্ষা দিচ্ছে ইউনূস সরকার? শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বদলে গিয়েছে বলে মনে করেন সে দেশের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। শনিবার ঢাকার নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সেমিনারে বক্তৃতার সময়ে এ কথা জানান তিনি।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post