কায়রোতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করলেন মহম্মদ ইউনূস। বিভিন্ন ইস্যুতে একে অন্যকে সহযোগিতার বার্তা দিল দুই দেশ। বাংলাদেশকে ফের পাকিস্তান বানাতে চাইছেন ইউনূস। সমালোচনার ঝড় বাংলাদেশেই। সরাসরি পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রামে পণ্যবাহী জাহাজ। ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের পাক-হাইকমিশনারের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বৈঠক। পারমাণবিক বোমার কথা বলে, পাকিস্তানের কট্টরপন্থী নেতার বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো। অন্যদিকে পাকিস্তানের পরমাণু বোমা থাকায়, উৎসাহিত বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাকর্তা। এসব তো চলছিলই সবশেষে মনে হয়, এটাই বাকি ছিল! চূড়ান্ত ভারত-বিদ্বেষী আবহে, মিশরের রাজধানী কায়রোতে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। একেবারে পরম বন্ধুর মতো একে অন্যকে জড়িয়ে ধরলেন। করমর্দন করলেন। তারপর হল বৈঠক। শাহবাজ ও ইউনূসের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দুই দেশের প্রতিনিধিরাও। সূত্রের খবর বৈঠকে শরিফ বলেন,আমরা সত্যিই ভ্রাতৃপ্রতিম বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার অপেক্ষায় আছি। সূত্রের খবর, মুহম্মদ ইউনূস ১৯৭১ সালের বেশকিছু ইস্যু নিষ্পত্তি করার জন্য ইসলামাবাদকে অনুরোধ জানিয়েছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শরিফও ইউনূসকে তার সুবিধামত তাদের দেশে আসার আমন্ত্রণ জানান।ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ।চিনি শিল্প এবং ডেঙ্গু মোকাবিলার মতো নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। এদিনের বৈঠক মিশরে হলে, ইউনূসকে তাঁর সুবিধামত পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই বৈঠকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন, বাংলাদেশেরই একাংশ। এদিকে চিনি শিল্প নিয়েও নতুন বাণিজ্য শুরু করতে চায় দুই দেশ। জানা গিয়েছে, পাক প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের চিনির মিলগুলি পরিচালনায় প্রযুক্তিগত সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন। বাংলাদেশে ডেঙ্গির প্রকোপ ও তার জেরে মৃত্যু নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শরিফ। তিনি বলেন, “এক দশক আগে আমরা পঞ্জাব প্রদেশে যেভাবে ডেঙ্গির বিরুদ্ধে লড়েছিলাম, তা গোটা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছিল। আমরা সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করার জন্য বাংলাদেশে প্রতিনিধি পাঠাতে পারি।” জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “আমাদের ভাই, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক মজবুত করা নিয়ে আশাবাদী আমরা”। সঙ্গে সঙ্গে ইউনূসও বলেন, “এটা আমাদের টপ প্রায়োরিটি”। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে সুবিধামতো পাকিস্তানে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post