মুহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার এই মুহূর্তে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে৷ কার্যত দেউলিয়া বাংলাদেশ এখন একাধিক ফ্রন্টে সংকটের সম্মুখীন। একদিকে সারা বিশ্বের সামনে তাদের হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংস অত্যাচারের ঘটনা সামনে চলে এসেছে৷ উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক মন্দার নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ- মায়ানমার সীমান্তেও উত্তেজনা বেড়েছে। আরাকান আর্মি নামে পরিচিত মায়ানমারের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে। একদিকে ভারত যখন ইতিমধ্যে বাংলাদেশের উপর কৌশলগত চাপ প্রয়োগ শুরু করেছে, অন্যদিকে আরাকান আর্মি এখন তার দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্রোহের আগুন সঞ্চার করেছে। এক সপ্তাহের একেবারে ভোলবদল হয়েছে সার্বিক পরিস্থিতির। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে আরাকান আর্মি বাংলাদেশের সীমান্তে পৌঁছেছে এবং কিছু এলাকা ইতিমধ্যেই দখল করেছে। বাংলাদেশের দিকে আরাকান আর্মির অগ্রসর হওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিজেদের ঘোষণায় এই কথা দাবি করেছে৷ আরাকান আর্মির এই বক্তব্য মিডিয়াতেও নজর কাড়ছে। আরাকান আর্মির মতে, বাংলাদেশের সীমান্ত বরাবর জিহাদি ও চরমপন্থী দলগুলি বৌদ্ধ ও হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন ও নৃশংসতা চালাচ্ছে। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলিতে, রোহিঙ্গা সলিডারিটি আর্মি, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি এবং আরাকান রোহিঙ্গা আর্মির মতো ১০ টিরও বেশি জঙ্গি গোষ্ঠী রয়েছে- যারা হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ সহ একাধিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তদুপরি, আরাকান আর্মি অভিযোগ করে যে এই জিহাদি দলগুলোর আল-কায়েদা এবং জামায়াত-ই-ইসলামির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই জিহাদিরা মংডুর মুসলিম জনসংখ্যাকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়কে বৌদ্ধ ও হিন্দু সহ অমুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য উস্কানি দিচ্ছে৷ এদিকে মায়ানমার মিলিটারির ওয়েস্টার্ন কমান্ড দখল করে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করল আরাকান আমি। একটি বিবৃতিতে আরাকান আর্মির মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাখাইন প্রদেশে পুরো ওয়েস্টার্ন মিলিটারির সদর দফতর দখল করে নেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ডেপুটি রিজিওনাল কমান্ডার জেনারেল থাউং তুন এবং জেনারেল কেয়ো কেয়োকে। সেইসঙ্গে মিলিটারি কাউন্সিলের যে জওয়ানরা পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের তাড়া করে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। ওই বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ‘শুক্রবার বেলা ১২ টার মধ্যে পুরো ওয়েস্টার্ন রিজিয়ন মিলিটারি হেডকোয়ার্টার দখল করে নেওয়া হয়েছে।’ আর সেই সদর দফতর যে রাখাইন প্রদেশে অবস্থিত, তা বাংলাদেশের সীমান্তের কাছে অবস্থিত। সেই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা আরও বাড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মায়ানমারে এখন যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশ আরও বাড়তে পারে। রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাড়তে পারে সমস্যা। জটিল হতে পারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টা। আর সেই পরিস্থিতিতে মায়ানমারের ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এই পরিস্থিতিতেই ভারতে গোপন বৈঠকে আসতে চলেছে আরাকান প্রধান বলে সূত্রের খবর।
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা থেকে কার্যত পালিয়ে নয়া দিল্লি চলে আসেন। এক তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানের...
Read more












Discussion about this post