ইদানিং বাংলাদেশে পুলিসের ভূমিকা খুব একটা নজরে পড়ছে না। অর্থাৎ তেমনভাবে সক্রিয় নয় পুলিশ। বিশেষ করে এই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। কিন্তু কেন? পুলিশ সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে, যে পুলিশের গোটা ডিপার্টমেন্টটি বাংলাদেশে রয়েছে তা পূর্বতন সরকারের অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকারের। সমস্ত পুলিশ কর্তারা হাসিনা পন্থী। তাই তাদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনটা খবর উঠে আসছে বাংলাদেশের অন্দর থেকে।
এর মধ্যে গোপন সূত্রে খবর উঠে আসছে, বাংলাদেশ পুলিশের প্রাক্তন আইজি বেনজির আহমেদ ষড়যন্ত্র করছেন বলে দাবি বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের। এমনকি বেনজির নাকি রাষ্ট্রদ্রোহীতার মতো কাজ করছেন বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশ সদস্যদের সংগঠনের তরফে।
প্রসঙ্গত, বেনজির আহমেদ হাসিনা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বাংলাদেশে। এমনকি খবর উঠে আসছে, ৫ই অগাষ্ট গণ অভ্যুত্থান এ গণহত্যা, দুর্নীতির সহ একাধিক মামলায় জড়িত বেনজির আহমেদ। এবং তিনি নাকি পলাতক।
শুধু তাই নয়, ৫ই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শত শত পুলিশ কে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি পুলিশের আধিকারিক জানা মাত্রই তাদের বেছে বেছে বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, যদি কাজ করতে দেওয়া না হয়, তবে বাংলাদেশের আইন-শৃংখলার কি হবে। এমনিতেই গোটা বাংলাদেশ উপরে নৈরাজ্য চলছে। আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। বাংলাদেশের বহু মানুষই অভিযোগ করছেন। তার উপর সেনাপ্রধান কে চটানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর মধ্যেও দল তৈরি হয়েছে। আর সেই ভাবেই কাজ চালানো হচ্ছ। তাহলে এখন প্রবল চিন্তার বিষয়, বাংলাদেশের আইন রক্ষায় যদি পুলিশকে কাজ করতে দেওয়া না হয়, তবে কে রক্ষা করবে।
পাশাপাশি আরও একটা বিষয় উঠে আসছে, যদি অন্তর্বর্তী সরকারি দিয়েই প্রয়োজন পরে পুলিসকে, তখন কি সামলাতে পারবেন মোহাম্মদ ইউনুস? এখন এই প্রশ্নগুলোই দানা বাঁধছে। তবে পুলিশের একটা অংশ নাকি ইউনূসের হয়ে কাজ করছে।












Discussion about this post