বাংলাদেশের সেনানিবাসে চলল অভিযান। তবে কি এইবার টার্গেট হতে চলেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান? এই প্রশ্নটা স্বাভাবিক ভাবে উঠছে। তার কারণ, কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছে, বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন তিনি। আর তারপরই এই ধরনের কার্যকলাপ। যা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, ডিজি এফআই – এর কর্তা সাইফুল আলম তার নিবাসে অভিযান চালান হয়েছে। সকাল থেকে যে ছবি ধরা পড়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, দুই তারা সমন্বিত যে আর্মি অফিসারের গাড়ি, সেটি আগের দিন গভীর রাত থেকে দাঁড়িয়ে ছিল। প্রশ্ন উঠছে, এই দুই তারা সমন্বিত গাড়িটি কি করছিল অভিযান শুরুর আগে থেকে?
খবর রয়েছে, এই গাড়ি করে যিনি গিয়েছিলেন, তিনি নাকি একজন পাকিস্তান মদতপুষ্ট কর্তা। এমনকি তিনি নাকি সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানের বিরোধী বলেই পরিচিত। অভিয়োগ করা হচ্ছে, সাইফুল আলম বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু অনেক বলছেন, এই খবর অনেকটাই ভুয়ো।
তবে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, সেনাপ্রধানের ক্ষেত্রে ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটানোর জন্য সাজানো হচ্ছে। সেনা কর্তার বাসভবন ঘিরে ফেলা হবে, এমন গোপন রিপোর্ট উঠে আসছে। তবে কি তাকে নজরবন্দি করা হচ্ছে? এমন একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে।
আসলে সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান, হাসিনাপন্থী বলে পরিচিত। তার উপর সম্প্রতি যে বক্তব্য তিনি করেছেন, তাতে ইউনুস বিরোধী মনোভাব স্পষ্ট। বলছেন ওয়াকিবহাল মহল। শোনা যাচ্ছে তার ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি তো এভাবে দেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবেন কিনা ডঃ ইউনুস, সেটা তার সন্দেহ রয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব, একটি স্থায়ী সরকার প্রয়োজন। অর্থাৎ সরকার বদলের কথা বলেন সেনাপ্রধান। আর সেই কারণেই বাংলাদেশের সরকারের রোষে পড়েছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, গোটা বাংলাদেশ জানে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। এখন দেখার, সত্যিই ইউনূসের রোষে পড়ে সেনাপ্রধানের কি পরিস্থিতি তৈরি হয়।












Discussion about this post