দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান। কিন্তু তিনি ঢাকা বিমানবন্দরে না নেমে তেজগাঁও দিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে। কিন্তু কেন? বলা হচ্ছে তাকে হটানোর জন্য চক্রান্ত করা হয়েছিল। আর সেই খবরটি তিনি আগেভাগেই পেয়ে গিয়েছিলেন। তাই তিনি তড়িঘড়ি সফর সূচি কাটছাঁট করে দেশে ফেরেন।
এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। লুঠ, খুন, ডাকাতি লেগেই রয়েছে। ইউনুস যে দেশ চালাতে ব্যর্থ সেটা রোজ প্রমাণিত হচ্ছে। একমাত্র এখন, বড় ভরসার জায়গা সেনাপ্রধান। কিন্তু সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা চলছে। আর এটা বুঝতে পেরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। কিছুদিন আগে তিনি বক্তব্য রেখেছিলেন। যা নিয়ে নানা মহলে চলেছিল আলোচনা। অনেকে বলেছিল বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে হুঁশিয়ারি দিলেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেছিলেন নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করে লাভ নেই। তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। এমন নানা মন্তব্য করেন তিনি। আর তার জেরেই রোষানলে পড়েছেন তিনি।
অর্থাৎ ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে চলেছে বাংলাদেশ। কিছুদিন আগে অনেকে বলছিলেন
বাংলাদেশে সেনাপ্রধান মোটেই নিরাপদে নেই। আবার কেউ বলছেন, সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজের বিপদ নিজেই ডেকে নিয়ে এসেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, সেনাপ্রধান মস্ত বড় ভুল করেছেন। অর্থাৎ বাংলাদেশে এখন যাবতীয় চর্চার কেন্দ্রবিন্দু সেনাপ্রধান।
৫ই অগাস্টের পর সেনাপ্রধান এমন কিছু মন্তব্য বা কার্যকলাপ করছেন, তাতে তিনি কাকে সমর্থন করছেন বা কাকে করছেন না, সেই নিয়ে বিভ্রান্ত তৈরি হচ্ছে।
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে ছয় মাস কেটে গিয়েছে। এখন সে দেশের সেনাপ্রধান কি এই সরকার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন? নাকি তিনি এই সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রধান পদগুলিতে পরিবর্তন আনতে চাইছেন? বর্তমান বাংলাদেশে যেভাবে সংঘর্ষ, খুন, হানাহানি, ধর্ষণ বেড়েই চলেছে…সেই আবহে এই ধরনের প্রশ্ন ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক।
তবে কি ইউনূসের সঙ্গে লড়াই হতে চলেছে সেনাপ্রধানের? তার জেরেই এমন ষড়যন্ত্র চলছে বাংলাদেশের অন্দরে।












Discussion about this post