বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানকে প্রাণে মেরে ফেলার চক্রান্ত হয়েছিল। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক থেকে ফেরার মুহূর্তে তাকে নিকেশ করার ছক কষা হয়েছিল। কিন্তু সেদিনই ছিল হিজবুত তাহরির মিছিল। সেনাপ্রধানের কাছে খবর ছিল, তিনি ঢাকা বিমান বন্দরে নামলেই তার কনভয়ের উপর হামলা হবে। এমনই চক্রান্ত করেছিল জামাতি ইসলামি হিজবুত তাহরী। এর সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ ছিল বলে খবর। এরপরই সেনাপ্রধান বিমান ঢাকা বিমান বন্দরে না নেমে তেজগাঁও বিমান বন্দরে নামার সিদ্ধান্ত নেয়। এই চক্রান্তের পিছনে সেনা বাহিনীর একাংশের পরিকল্পনা ছিল। আর সেই কথা জানতে পেরে ৮ই মার্চ একটি সেনা বিদ্রোহ হয়। বাংলাদেশের এক লাফটেন্ট জেনারেল পদ মর্যাদার এক আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাকিস্তানের আইএসআই এর সঙ্গে যোগ রয়েছে।
পরিস্থিতি আয়ত্তে না এসে যত দিন যাচ্ছে, উত্তপ্ত হচ্ছে। ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা, চক্রান্ত চলছে দেশের শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় প্রাণে মারার মত ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা চলছে। আসলে ২০২৪ এর ৫ই অগাস্টের পর সেনাপ্রধান এমন কিছু কার্যকলাপ করছেন তাতে বোঝা যাচ্ছিল না, আদতে তিনি কি চাইছেন। তখন কেউ তাকে শেখ হাসিনার দালাল বলছিল, আবার কেউ বলছিলেন তিনি ইউনূসের পক্ষে। তবে এখন রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, ওয়াকার উজ জামান দেশের মানুষের পক্ষে। নাহলে হাসিনা সরকারের পতনের পর সেনা শাসনই রাখতেন গোটা দেশকে। আর আগে বহুবার এমন হয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু সেটা তিনি করেননি। গঠন করেছেন একটি অন্তবর্তীকালীন সরকার। তারাই দেশ চালাচ্ছে। কিন্তু দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে সেনাপ্রধানকে মাথা গলাতে হবেই। এখন সেটাই হচ্ছে। তবে অনেকে বলছেন, তিনি বুঝতে অনেকটা দেরি করে ফেলেছেন। আর সেই কারণেই দেশে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে কঠোর হতে হচ্ছে।
তবে একটা প্রশ্ন উঠছেই, ফেসবুক তৈরি হোক বা পাকিস্তানের আইএসআই জঙ্গি সংগঠনের মদতেই হোক, সেনাপ্রধান কে প্রাণে মারার পরিকল্পনা যারা করেছিল, তাদেরকে বাড়তে দিয়েছেন ইউনুস। তবে কি সেই দায় ইউনূসের ওপরও বর্তায় না? সেটা ভালো করে বলছেন ওয়াকার উজ জামানও।
এখন দেখার, সামনে কি হতে চলেছে বাংলাদেশে।












Discussion about this post