আজব স্কুল মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকে, খাতা কলমে পাঁচজন ছাত্র- থাকলেও, মাঝেমধ্যে এক থেকে দুজন ছাত্র- আসে স্কুলে। শিক্ষক আছে একজন মাত্র, তাও নানান অজুহাতে মাসে দু থেকে তিনদিন স্কুলে আসে বলে দাবি এলাকাবাসীর। অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবী প্রধান শিক্ষকের।
২০১১ সালে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী এবং কিছু শিক্ষক নিয়ে স্থাপিত হয়েছিল পূর্ব জয়কৃষ্ণপুর জুনিয়র হাইস্কুল। প্রত্যন্ত সুন্দরবন এলাকায় এই স্কুলটি স্থাপিত হওয়ার পরে শিক্ষার মান বেড়েছিল এলাকার বাসিন্দাদের। তারপর ২০১৩ সাল থেকে একটি শিক্ষক নিয়ে চলছে পূর্বজয় কৃষ্ণপুর জুনিয়র হাইস্কুল। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যে শিক্ষা পর্ষদের তত্ত্বাবধানে চলে এই স্কুলটি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের নন্দকুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব জয়কৃষ্ণপুর এলাকায়। স্কুলে এক শিক্ষক, খাতা কলমে পাঁচ ছাত্রকে নিয়ে চলছে স্কুলের পঠনপাঠন। পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণি চার ক্লাস নিয়ে এই স্কুল, তবে- ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণীর ক্লাসে ছাত্র থাকলেও আরো দুটি ক্লাসে ছাত্র ছাত্রী নেই। ষষ্ঠশ্রেণীতে একটি ছাত্র এবং সপ্তম শ্রেণীতে চারটি ছাত্র নিয়ে চলছে এই স্কুলের পঠনপাঠন।
স্থানীয় বাসিন্দা অতুল গায়েন বলেন, একজন শিক্ষক দিয়ে কিভাবে স্কুল চলবে, তাও প্রতিদিন ওই শিক্ষক স্কুলে আসেন না, এভাবেই চলবে এই স্কুল। প্রতিদিন শিক্ষক না আসার কারণে অভিভাবকরা তাদের সন্তানকে এই স্কুলে না পড়িয়ে অন্যান্য স্কুল গুলিতে পাঠাচ্ছেন। আর সেই কারণে পূর্ব জয়কৃষ্ণপুর জুনিয়র হাইস্কুলটি এখন বন্ধের মুখে।
তবে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক কালিপদ মন্ডল বলেন, স্থানীয়দের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন, আমি প্রতিদিনই স্কুলে আসি। তিনি আরো বলেন, আমাদের স্কুল শিক্ষকের অভাবেই বন্ধ হতে চলেছে, নানান সরকারি দপ্তরে জানিয়ে কোন সুরাহ হয়নি, শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ার কারণে এই স্কুলে ছাত্রছাত্রী পাঠাচ্ছে না অভিভাবকরা, স্কুল আবার সচল করতে অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগের দাবি তোলেন তিনি।
এবিষয়ে মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লকের শিক্ষার কর্মদক্ষ প্রতিমা ভূইয়া খাঁ বলেন, পূর্ব জয়কৃষ্ণপুর জুনিয়র হাইস্কুলটির বিষয়ে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। আগামী দিনে স্কুলে শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রী স্বাভাবিক করতে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post