ইউনূসের দিন ফুরিয়ে এসেছে! চিন্তা করো না, সেনা সদর দপ্তরে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিয়ে সব আমি ভারতে বসেই সব ব্যবস্থা নেব শহীদ পরিবারের প্রতি বার্তা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। হাসিনার বার্তায় চাঙ্গা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
যেহেতু আন্দোলনকারী ছাত্রদের সমর্থনে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। সংখ্যালঘু অত্যাচারের পাশাপাশি ভেঙে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা, ভঙ্গুর অর্থনীতির জেরে মূল্যবৃদ্ধি মাত্রা ছাড়িয়েছে। মাথা চারা দিয়েছে জঙ্গিবাদ। সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার, এর ফলে গরিব থেকে মধ্যবিত্ত, বাংলাদেশের আমজনতার একেবারেই স্বস্তি মিলছেনা। আর এর মাঝে সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য, সোমবার একটি লাইভের মাধ্যমে বাংলাদেশের ৬ শহীদ পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন হাসিনা তিনি বলেন, “ওদের দিন ফুরিয়ে আসছে,চিন্তা করোনা। সেনা সদর দপ্তরে সমস্ত কাগজপত্র পাঠিয়ে দাও আমি এখানে বসেই সমস্ত ব্যবস্থা নেব নজরুল ইসলামের কাছে সমস্ত ছবি পাঠিয়ে দাও।”
পাশাপাশি আরও বেশ কিছু চাঞ্চল্য তথ্য তুলে ধরলেন শেখ হাসিনা। পাকিস্তানের সঙ্গে যেমন বন্ধুত্ব বেড়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের। হাসিনাকে বলতে শোনা গেল ইউনুস ও তার লোকজন মিলে বিদেশে অর্থ পাচার করে যাচ্ছে। সমানে চুরি করছে তারা। এই প্রসঙ্গে ঠিকই তথ্য তুলে ধরলেন হাসিনা শুনুন,,
উল্লেখ্য, গত বছরে জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের দাবিতে উত্তাল হয়ে বাংলাদেশ। আন্দোলনে নামে ছাত্ররা। প্রাণ ঝরে অন্তত ৬০০ জনের। এই ছাত্র আন্দোলনকে হাতিয়ার করেই ছক কষা হয়েছিল হাসিনাকে গদিচ্যুত করার। অনেক রিপোর্টেই দাবি করা হয়, পাকপন্থী জামাত উসকানি দিয়েছে আন্দোলনে। পাশাপাশি কলকাঠি নেড়েছে আমেরিকা, চিন। তবে ৫ আগস্ট শেষ মুহূর্তে পর্যন্ত ইস্তফা দিতে রাজি ছিলেন না হাসিনা। একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, সেদিন মাত্র ৪৫ মিনিটের নোটিসেই নাকি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন মুজিবকন্যা। এরপর ভারতে বসেই বারবার হাসিনা জানিয়েছিলেন সমস্ত আন্দোলনের পেছনে একটি চক্রান্ত রয়েছে ডিজাইন করে এই আন্দোলন সংগঠিত করেছিল মোহাম্মদ ইউনুস। বাংলাদেশের ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকে নির্যাতন শুরু হচ্ছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর। তারা অভিযোগ জানাতে গেলেও নির্বিকার অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস।












Discussion about this post