স্কুলের সামনে বিপজ্জনক বাড়ি, খসে পড়ছে পাথরের চাঁই। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড়সড়ো দুর্ঘটনা। দ্রুত প্রশাসন ব্যবস্থা নিক, অনুরোধ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার। আইনি জটিলতা থাকার কারণে ভাঙা যাচ্ছে না ওই বাড়ি দাবী সাফাই পৌরসভার।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক শহরের সুপরিচিত নামী স্কুল গুলির মধ্যে অন্যতম হলো রাজকুমারী শান্তনাময়ী হাইস্কুল। বর্তমানে রাজকুমারী শান্তনাময়ী স্কুলের ছাত্রীসংখ্যা প্রায় ২০০০ জন। তমলুক শহরে তাম্রলিপ্ত গভমেন্ট মেডিকেল কলেজের পাশেই রয়েছে রাজকুমারী সান্ত্বনাময়ী গার্লস হাইস্কুল, আর স্কুলে ঢোকার মুখেই দাঁড়িয়ে রয়েছে আস্ত একটি ভাঙ্গা বাড়ি। যখন তখনই খসে খসে পড়ছে পড়ছে পাথরের চাঁই। বহুবার পরিবারের সদস্যের গায়ে পড়েছে খসে পড়া পাথরের অংশ তাতে আহত হয়েছেন কেউ কেউ। যে কোন মুহূর্তে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে, প্রাণহানির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তারা রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। শুধুমাত্র স্কুলের ছাত্রী নয় প্রত্যেকদিন কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত করে ওই বাড়ির পাশ দিয়ে। বাড়ির সদস্যদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে দ্রুত বাড়ি ভাঙার প্রক্রিয়া গ্রহন করুক প্রশাসন। তাহলে যে কোনদিন বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে তমলুক শহরের মধ্যে।
রাজকুমারী সান্তনাময়ী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শর্মিষ্ঠা আদক বলেন, স্কুলে ঢোকার মুখে এই বিপজ্জনক বাড়িতে ভাঙার জন্য পৌরসভার চেয়ারম্যান ও থানায় জানিয়ে ছিলাম। আবারও সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে অনুরোধ করেন প্রশাসন যাতে এই ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। না হলে আগামী দিনে যে কোন সময় বড়োসড়ো দুর্ঘটনা ঘটবে তখন আমরা নিজেদের ক্ষমা করতে পারব না।
যদিও পৌরসভার চেয়ারম্যান দিপেন্দ্র নারায়ণ রায় বলেন, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই বাড়িটি বিপদজনক বাড়ি বলে পৌরসভার পক্ষ থেকে ব্যানার দিয়েছিলাম। বাড়িটি আইনি জটিলতা থাকার কারণে এখনো পর্যন্ত ভাঙা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব যাতে বাড়িটি দ্রুত ভাঙার ব্যবস্থা করা যায়।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খুন হয়ে যেতে হয় ওসমান হাদিকে। তিনি ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন হত্যাকাণ্ডে তেতে...
Read more












Discussion about this post