সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরিহারা ২৬০০০ শিক্ষক-শিক্ষিকা। যা বিশ্বের দরবারে এই রাজ্যের জন্য অতীব লজ্জার। আর যারা এই চাকরি বিক্রি করল চুরি করল তাদের হয়েই কথা বলতে নবান্নে হাজির হলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনায় সরব হচ্ছে প্রধান বিরোধীদল বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তিনি তুলে এনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারি প্রসঙ্গ। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির কথা। আর সেই প্রতিষ্ঠানের মাথায় বসে আছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই দুর্নীতিতে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে গ্রেফতার করা হবে না, এ প্রশ্নই তুলছেন বিরোধী দলনেতা। ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী শুনুন…
সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি পুরো ঘটনাটির জন্য সম্পূর্ণ দোষ চাপিয়ে দিলেন সিপিএম ও বিজেপির ঘারে। নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে এই চাকরি বাতিলের নেপথ্য কারিগর যে বিজেপি–সিপিএম তা তুলে ধরেন তিনি। এমনকী বাংলাকে শিক্ষায় পঙ্গু করে দিতেই এটা একটা কৌশল বলে তিনি মনে করেন। বিচার ব্যবস্থাকে সম্মান করি। তবে এই রায় মেনে নিতে পারছি না। আমরাও রেকর্ড খুঁজে বের করব, ২০১৬ তে কারা কারা মন্ত্রী ছিলেন। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে আর কি কি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুনুন
প্রথম বিচারপতি টিভি চন্দ্রচূড় অবসর গ্রহণের পরে সঞ্জীব খান্না বিচারপতি হয়ে এলেন তার পরে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম মামলাতে মুখ থুবরে পড়লো। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টতই জানিয়ে দিলেন, ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন হাইকোর্টের রায়ের ওপর তিনি স্থগিতাদেশ দিয়ে রেখেছিলেন। তবে আমরা জানি, প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুরের আমলে আরজি কর মামলা সহ এই রাজ্যের আরও বহু মামলায় তিনি স্থগিতদেশ দিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু সঞ্জীব খান্না প্রধান বিচারপতি পদে আসীন হতেই সব মামলার রায় এই রাজ্যের সরকারকে চাপে ফেলবে বলেই মত বিভিন্ন মহলের।
২০১৬ সালের এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে পুরো প্যানেল টাই বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরগরম হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। সরকারকে কটাক্ষ করে ঘটনায় মুখ খুলেছেন বিরোধীদল গুলিও। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘রামনবমী নিয়ে রাজ্যে তৃণমূল বিজেপি সার্কাস শুরু করেছে। ‘ রাজ্যের এই পরিস্থিতি নিয়ে কী বললেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী শুনুন,
উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের গত বছরের রায় বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশ, যাঁরা অন্য সরকারি দফতর থেকে এই চাকরিতে এসেছিলেন তাঁরা ৩ মাসের মধ্যে পুরনো জায়গায় যোগদান করতে পারবেন।
Discussion about this post