গুঞ্জন জড়ালো হচ্ছে, গোপন অ্যাকশন শুরু আওয়ামী লীগের। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেকোনো সময় যেকোনো মুহূর্তে বাংলাদেশ প্রবেশ করতে পারেন। বারংবার এই দাবি করে আসছেন স্বয়ং শেখ হাসিনা নিজেও। কিছুদিন আগেই তার অডিও বার্তায় আবারো হাসিনা জানিয়েছেন,” আমি ফিরছি, খুব শীঘ্রই দেশে ফিরে সমস্ত অপরাধীদের বিচার করব আমি।” দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে কি বার্তা দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা শুনুন সেই অডিও বার্তা।
তবে প্রশ্ন উঠছে যতদিন হচ্ছে প্রতিমুহূর্তেই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বার্তা আরো জোরালো হচ্ছে। কিন্তু কিভাবে তিনি দেশে ফিরবেন? দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতাতেই কি দলনেত্রীর দেশে ফেরার সম্ভাবনা পাকা হতে চলেছে?
সূত্র বলছে, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে গোপনে তৎপর আওয়ামী লিগ। গোপন গোয়েন্দা রিপোর্ট হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ সরকার, সেই রিপোর্টে উঠে এসেছে হাসিনার দলের গোপন তথ্য। জানা যাচ্ছে, সংগঠনের প্রতিটি ইউনিট থেকে ২০০-২৫০ নেতাকর্মীকে এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকায় জড়ো হতে নির্দেশ দিয়েছে শেখ হাসিনার দল।
বেজায় চাপে পড়ে মোহাম্মদ ইউনুস এর সরকার ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সেদেশে সকলের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট তৈরি করা, স্থানীয় রাজনৈতিক বৃন্দের সহযোগিতা নিয়ে ঢাকামুখী কার্যক্রম মোকাবিলা করা সহ আরও বিভিন্ন কর্মকান্ডের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের সদর দপ্তর।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, সমাজমাধ্যমে নজরদারি চালাতে হবে। আওয়ামীকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর।
তবে, বাংলাদেশ পুলিশের সদর দপ্তরের নির্দেশিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আওয়ামী লিগ। আওয়ামীলীগের দাবি তাদের দলীয় নেতা কর্মীদের নতুন করে জেল বন্দী করতেই কাল্পনিক গোয়েন্দা রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে আনছে বাংলাদেশ বলে ।
অন্যদিকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে যেমন নয়া দিল্লি একেবারেই নিশ্চুপ। তার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারকে আরো চাপে ফেলতে নয়া পদক্ষেপ নিল ভারত সরকার বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার জারি করা ভারতের কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক বোর্ডের এক সার্কুলারে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ তৃতীয় কোনো দেশে পণ্য রপ্তানির জন্য ভারতের স্থল বন্দর ব্যবহার করতে পারতো। তবে ভারত সরকারের নয়া নির্দেশের পর সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও পরিবহন ব্যবস্থার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এই নির্দেশ।












Discussion about this post