গত ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান সরকারি সফরে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়ায় এক সপ্তাহের সফরসূচি শেষ করে 12 এপ্রিল তিনি দেশে ফিরেছেন বলে সূত্রের খবর। এবার দেশে ফিরে সেনাপ্রধান কি কি পরিকল্পনা করলেন সেই নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।
একদিকে যখন সে দেশে সেনাপ্রধান রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন ঠিক তার আগেই সে দেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তিনি চীন সফর করেছিলেন। অর্থাৎ বরাবরের মতো এবারও একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে সেনাপ্রধান ও প্রধান প্রধান উপদেষ্টা দুটি বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছেন। তাদের পরিকল্পনাও একেবারে বিপরীতধর্মী।
ওয়াকার উজ জামান ও মোহাম্মদ ইউনুস এর মধ্যে সম্পর্ক একেবারে স্বাভাবিক নয়। আর প্রতিবারই সেনাপ্রধান বিদেশ সফরে থাকাকালীন প্রধান উপদেষ্টা ও তার দল সেনাবাহিনীর উপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টায় উদ্যত থাকেন। তেমন এবারও সেনাপ্রধান রাশিয়া সফরে যাওয়ার পরপরই সে দেশের ৫ পদস্থ সেনা কর্তাকে গৃহবন্দী রাখা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। আর এই গৃহবন্দী সেনাকর্তারা আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। আর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশেই যে এই পাঁচ ফেনা কর্তাকে গৃহবন্দী করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি তারা বলছেন, সেনাবাহিনীর প্রধান দেশে ফিরে নতুন পরিকল্পনা শুরু করতে চলেছেন। কারণ রসিয়া সফর সেরে ফেরার পরই ঢাকার চট্টগ্রাম বন্দরে চার দিনের শুভেচ্ছা সফরে তিনটি রুশ যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করেছে। আবার দেশে ফিরে কট্টরপন্থীদের উদ্দেশ্যে করা বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান। অর্থাৎ পরপর এই পরিকল্পনাগুলি সেনাপ্রধানের রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার সফরেরই একটি অংশ।
উল্লেখ্য, ১২ই এপ্রিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোষ্টের মাধ্যমে জানানো হয়, সফরকালে সেনাপ্রধান রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেন। রাশিয়ার সেনাবাহিনী প্রধান, ডেপুটি ডিফেন্স মিনিস্টার এবং ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান।












Discussion about this post