পাহেলগাম নিয়ে বাড়ছে উত্তাপ। ভারতও চুপ থাকবে না। যদিও ভারত আকশন নিতে শুরু করেছে।পাকিস্থানের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ করেছে ভারত। পাল্টা অবশ্য পদক্ষেপ করেছে ইসলামাবাদ। তবে ভারতে যেভাবে তোলপাড় শুরু হয়েছে কাশ্মীরের ঘটনায় তাতে প্রস্তুতি শুরু করে দিল ভারত। ইতিমধ্যেই রফলে এবং সুখোই ফাইটার জেটকে মহড়া দিতে দেখা গিয়েছে। এটা যদি একবার আঘাত হানে তবে পাকিস্তানকে ধুলোতে মিশিয়ে দেবে। এদিকে এয়ারক্র্যাফট রণতরী INS বিক্রান্ত ৪১টি জাহাজ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে করাচির দিকে। সামরিক মহড়া করছে বায়ুসেনা। শোনা যায়, এই মহড়াতে পাহাড় ও স্থলে বিমান হামলা চালানো হয়। খবর রয়েছে, কেন্দ্রীয় সেক্টরে রাফাল আর সুখই ফাইটার জেটের মহড়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এই মহড়াতে বিমান বাহিনীর পাইলটরা পাহাড়ি ও স্থলে হামলার অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে। পাক সন্ত্রাসবাদ উপরে ফেলত সক্ষম ভারত। তবে শোনা যাচ্ছে, পাকিস্তান নাকি তৈরি। এই পরিস্থিতিতে কি চীন পাশে থাকবে পাকিস্তানের? পাকিস্তানের উপ প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, চীন যত দিন আমাদের সাহায্য করতে চায়, ততদিন আমরা এই সম্পর্ক রাখবো চীনের সঙ্গে। আমাদের আর কাউকে তেমন লাগবে না। যারা আমাদের পাশে থাকবে, তাদের সবটা জনাব। তবে এটাও জানানো হয়েছে, বন্ধু দেশের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নই। পাকিস্তান সব দিক থেকে প্রস্তুত। কি বলছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার শুনুন
তিনি বলছেন, কাশ্মীরের পাহেলগাউয়ে যে হামলা চালানো হয়েছে, তারা স্বাধীনতা সংগ্রামী হতে পারে। এই বল বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হল পাকিস্তানের অবস্থা। যারা নিরীহ ২৬ জন মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করতে পারে, তাদের কোন দিক থেকে স্বাধীনতার সংগ্রামী বলা যায়? নির্লজ্জের মত এমন স্বীকারোক্তি করছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী। কি বলেছেন তিনি এই বিষয়ে শুনুন
কাশ্মীরের নৃশংস এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা ভারত বর্ষ। এমনকি গোটা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে এই ঘটনা। সেনা পোশাকে এসে বেছে বেছে পর্যটকদের গুলি করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। কিছু পর্যটক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা ভারত বর্ষ। পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে গুটি সাজাচ্ছে কেন্দ্র সরকার। তবে ইসলামাবাদ পদক্ষেপ করছে ভারতের প্রতি। আসলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনার পর ভারতের থেকে প্রত্যাঘাত যে আসবে, সেটাতে নিশ্চিত ছিল শাহবাজ শরীফের দেশ। তবে পাক উপপ্রধানমন্ত্রীর জঙ্গিদের স্বাধীনতার সংগ্রামী বলে আখ্যায়িত করতেই গোটা বিশ্বে আলোচনা চলছে। তিনি বলছেন, সেই জঙ্গিরা কারা জানি না। তবে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে পাকিস্তানের দিকে ইঙ্গিত করা হচ্ছে। কি বলেছেন উপপ্রধানমন্ত্রী শুনুন
এই মন্তব্যের আগেই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি পদক্ষেপ হলো, ১৯৬০ সালে করা সিন্ধু জল বন্ঠন চুক্তি স্থগিত করা এবং ভারতে বসবাসকারী সমস্ত পাকিস্তানিদের ভিসা বন্ধ করা। যদিও এই বিষয় নিয়ে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি ২৪ কোটি মানুষের জলের প্রয়োজন। আর সেই জল বন্ধ করে দিতে পারে না কেউ। এই পদক্ষেপ করা এবং যুদ্ধ ঘোষণা করা, একই বিষয়। এদিকে পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ ভারতকে করা হুশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, যদি ভারত পাকিস্তানের মাটিতে কোনরকম অভিযান চালায়, ভারতকের মাশুল গুনতে হবে। এমনকি তিনি বলেন, পাকিস্তানি কোনও নাগরিকের উপর আঘাত হানা হয়, তবে ভারতীয় নাগরিকরাও নিরাপদে থাকবে না। ঠিক কি বলেছে পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শুনুন
জঙ্গিদের লাগাতার মদত দিয়ে কার্যত ভারতকে হুশিয়ারি দিচ্ছে পাকিস্তান। কতটা নির্লজ্জ হলে এটা করতে পারে, সেটা পাকিস্তান দৃষ্টান্ত উদাহরণ। তবে চুপ নেই ভারত। ভারতবর্ষের কোনও পদক্ষেপ যে করতে শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, সেটা বলাই বাহুল্য। সামনে এসেছে মাত্র কয়েকটি পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন বাকি গুলো সামনে আসার অপেক্ষা মাত্র।












Discussion about this post