ফের মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল বাঁকুড়ার তালডাংরা থানা এলাকায়। বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতির বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় মাওবাদী নামাঙ্কিত ৩ টি পোস্টার দেখতে পান স্থানীয়রা। পোস্টারে কিষেনজি, সুনীল মাহাতো এবং রিমিলের মৃত্যুর বদলা দাবী করে সিভিক কর্মী ও পঞ্চায়েত প্রধানদের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
তালডাংরা থানার কাছে, তৃনমূলের কার্যালয় এবং বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতির বাড়ির এলাকায় মাওবাদী নামাঙ্কিত ৩ টি পোস্টার দেখতে পান স্থানীয়রা। পোস্টারে কিষেনজি, সুনীল মাহাতো এবং রিমিলের মৃত্যুর বদলা দাবী করে সিভিক কর্মী ও পঞ্চায়েত প্রধানদের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল বাঁকুড়ার তালডাংরা থানা এলাকায়। একসময় বাঁকুড়া জেলার বিস্তীর্ণ জঙ্গলমহলে মাওবাদী কার্যকলাপ দেখা গেলেও তালডাংরা বাজারে কখনোই মাওবাদীদের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। নাশকতা তো দূর তালডাংরা এলাকায় মাওবাদী পোস্টার পড়ার ঘটনাও এতদিন ছিল নজিরবিহীন, এবার সেই ঘটনাই ঘটলো। এদিন সাদা কাগজে লাল কালীতে হাতে লেখা তিনটি মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার চোখে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টার গুলিতে কিষেনজি, সুনীল মাহাতো এবং রিমিলের মৃত্যুর বদলা সহ সিভিক কর্মী ও পঞ্চায়েত প্রধানদের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে একই বক্তব্য লেখা সব পোষ্টারে। জল জমি জঙ্গল থেকে আদিবাসীদের উচ্ছেদের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে পোস্টারে । একই সঙ্গে সিভিক কর্মী ও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানদের হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখা হয়েছে এবার তোমাদের পালা। পোস্টারের নীচের অংশে প্রেস লাইনে লেখা রয়েছে সিপি আই মাওবাদী।
এলাকায় সিপিআই মাওবাদীর পোস্টারে আতঙ্কিত এলাকার সাধারন মানুষ। তাদের দাবী এই অঞ্চলের মানুষ শান্তি প্রিয়, অতীতে কখনও এই ঘটনা ঘটেনি।
পোস্টার গুলি পুলিশের নজরে আসার পরই তড়িঘড়ি সেগুলি ছিঁড়ে দেয় তালডাংরা থানার পুলিশ। পুলিশের একাংশের ধারণা এই পোস্টারগুলির সঙ্গে মাওবাদীদের কোনো সম্পর্ক নেই। কে বা কারা এই পোস্টার দিয়েছে তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।












Discussion about this post