যুদ্ধ হলে পাকিস্তানিদের কি হবে? এখন এই প্রশ্নটাই পাকিস্তানের অন্দরে। এমনিতেই জল বোমাতে নাজেহাল হয়ে গিয়েছে। এইবার তাদের গলায় পরমাণু বোমার কথা। তবে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনার পর ভারতের একমাত্র নিশানা ছিল পাকিস্তানের দিকে। পরে দেখা গিয়েছে, ভারতকে কিছু করতে হয়নি। তার আগেই পাকিস্তানের বিভিন্ন মন্তব্যে, বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে , এর পিছনে তারাই রয়েছে। এমনকি অনেক সময় বলা হয়েছে, তারা নাকি কিছুই করেনি। এখানেই অনেকে বলছেন, আসলে পাকিস্তানের অবস্থাটা ঠিক এই মুহূর্তে ঠাকুর ঘরে কে, আমি তো কলা খাইনি। এর মত অবস্থা। পাকিস্তান ভিক্ষার টাকায় অস্ত্র কেনে আর ত্রানে দেয় মিসাইল, তারা আবার ভারতকে যুদ্ধের জন্য বলতে এসেছে। এর আগে যতবার ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান, ততবারই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। এবার আরও একবার চেষ্টা করতে চাইছে। যখন স্বাধীনতার পর দেশের উন্নয়ন নিয়ে ভাবছে তখন কাশ্মীরে ঢুকে ছিল তারা। তখন অবশ্য মার খেয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু কাশ্মীরের যে অংশটা পাকিস্তান দখল করেছিল, সেটা আর উদ্ধার করতে যাননি। ফলে পাকিস্তানও অহংকারের সঙ্গেই মনে করে, ওরাই দখল করেছে কাশ্মীর। ১৯৭১ সালে আরও একবার পাকিস্তান টের পায়। তখন বলা হয়েছিল, পৃথিবীর ইতিহাসে এত বড় আত্মসমর্পণ হয়নি। ৯০ হাজার পাকিস্তানি আর্মিকে দিয়ে আমাদের দেশের রাস্তাগুলিকে তৈরি করানো হয়েছিল। অবশ্য সেটা বিনা পয়সায় নয়। পরে সিমলা চুক্তি করে ৯০ হাজার সৈন্য কে ছড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। তারপর আবার কার্গিল। তখনও বেশ শিক্ষা পেয়েছিল। কিন্তু পাকিপাকিভাবে শিক্ষা পাচ্ছে না তারা। ভারতের পরমাণু বোমা দেখে পরমাণু নিয়ে আসে আমেরিকা থেকে। পরমাণু চার্জ হলে ভারতের কয়েক কোটি মানুষ মারা যাবে এবং গোটা পাকিস্তান মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। কিন্তু এর জেরে কয়েক প্রজন্ম ধরে তার ফল ভোগ করবে। কিন্তু এসব পাকিস্তান বোঝে না। পরমাণু অস্ত্র আছে বলে সেখানকার মন্ত্রীরা শুধু বক্তব্য রাখছে। কিন্তু ভারতের কাছে তিন তিনবার হারার পরও শিক্ষা হয়নি। এদিকে পাকিস্থানে সেনাপ্রধানদের পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস আছে। তাদের বিরুদ্ধে ঝুড়ি ঝুড়ি অভিযোগ রয়েছে। এখন আবার খবর রয়েছে, পাকিস্তানে ১৫০০ সেনা নাকি গণ ইস্তফা দিয়ে দিয়েছে। যে পাকিস্তান নিজের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে জেলে ভরে, তারা আবার ভারতের বিষয়ে কথা বলে।
এমনিতেই ভারত সিন্ধু জল বন্টন চুক্তি বাতিল করতেই তাদের ঘুম উঠেছে। ১৯৬০ সালে বিশ্ব ব্যাংকের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পাকিস্তানের কৃষিকাজ এখন কিভাবে হবে, সেটা প্রশ্নাতীত। অন্যদিকে, ঝিলামের জল ছাড়তেই বন্যা পরিস্থিতি। পাকিস্তান ভারতকে টুকরো করার কথা বলে, এদিকে সেখানে এমনিতেই টুকরো হয়ে আছে। একদিকে জনগণ, অন্যদিকে সরকার, আর একদিকে সেনাবাহিনী। আর তারা এখন ভারতকে উস্কাচ্ছে যুদ্ধের জন্য। ভারতের কাছে এই মুহূর্তে রয়েছে রাফাল বিমান। যার সামনে পাকিস্তান দাড়াতেই পারবে না। এদিকে বেলুচিস্তান নিয়ে প্রবল চাপে রয়েছে তারা। ভারতের এই মুহূর্তে অর্থনৈতিক অবস্থা ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। যেখানে পাকিস্তানের ৩৭৬ আরব ডলারের থেকে দশ গুণ বড়। ফলে পাকিস্তানের অবস্থা কোন জায়গায়, সেটা আগে তাদের দেশের মন্ত্রীদের জানা প্রয়োজন। অন্যদিকে ভারতের কাছে ১৫ লক্ষ সক্রিয় সেনা রয়েছে। পাকিস্তানের রয়েছে মাত্র ৬ লক্ষ সেনা। তারমধ্যে নাকি ১৫০০ সেনা গণ ইস্তফা দিতে দিয়েছে। ফলে যুদ্ধ হলে পাকিস্তানের অবস্থা কি হবে, পূর্বের অভিজ্ঞতা দেখলেই সেটা স্পষ্ট হবে। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তিন বাহিনীকে পূর্ণ ছাড় দিয়ে দিয়েছেন। তারা যেকোনও রকম পদক্ষেপ করতে পারে দেশের জন্য। কাজেই ভারত যে কাশ্মীরের ঘটনাটিকে সিরিয়াসলি নিয়েছে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার, শেষমেশ পাকিস্তান ভারতকে কতটা যেতে বাধ্য করায়।












Discussion about this post