নরেন্দ্র মোদির খোলা ছাড় তিন বাহিনীকে। যে কোন মুহূর্তে পাকিস্তানের ওপর আঘাত হানতে পারে ভারতীয় সেনা। কিভাবে কখন কোন পদ্ধতিতে আঘাত হানা হবে তা ছেড়ে দেওয়া হল ভারতীয় তিন বাহিনীর উপর। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির স্পষ্ট বার্তা, পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারতের তিন সেনা বাহিনীর ফ্রি হ্যান্ড। এবার সামরিক হস্তক্ষেপে আরো বিপর্যস্ত পাকিস্তান।
কাশ্মীরে জিহাদি হামলার পর গর্জে উঠেছে গোটা দেশ। সন্ত্রাসবাদি হামলায় ভারতের সরাসরি নিশানয় পাকিস্তান। সেই সন্ত্রাসবাদী দেশকেই জব্দ করার নানা কূটনৈতিক কৌশল গ্রহণ করেছে ভারত। আর এই সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ২৬ জন পর্যটক। চারিদিকে হাহাকার প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে। সেই আবহে এই কর্মকাণ্ড কিছুতেই মেনে নেওয়া হবে না,যোগ্য জবাব দেওয়া হবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অবশেষে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, এনএসএ, সিডিএস, ৩ বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ওই জরুরি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ, দোভাল, অনিল চৌহান। সেই বৈঠকে পেহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই রোডম্যাপ তৈরি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এরপরেই এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীকে ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ দিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
উল্লেখ্য,পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে পূর্ববর্তী দুটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রসঙ্গ টেনে বলা হচ্ছে ভারতকে তবে এবার আরো অন্য ধরনের কোন পরিকল্পনা করতে চলেছে। ২০১৬ এর উড়ি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে দেখা গিয়েছিল ভারত ল্যান্ড ওরিএন্টেড সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। সে ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল ভারত এলওসি ক্রস করে পাকিস্তানের ঢুকেছে এবং সেখানে যে টেরর লঞ্চ প্যাড গুলি যেগুলি ছিল সেগুলিকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে ফের ভারতে ফিরে এসেছিল। এদিক ছোট অপারেশন হলেও ভারতের ইতিহাসে এটিকে এখনো নজির বিহীন একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হিসেবে ই উল্লেখ করা হয়। এরপর দেখা গিয়েছিল ২০১৯ এ বালাকট এয়ার স্ট্রাইক, পাকিস্তানের খাইবারপাকতুয়া অঞ্চলে ভারতের সম্পন্ন হয় যেখানে জয়স্বী মোহাম্মদের ট্রেনিং ক্যাম্প গুলিকে ধুলিস্যাৎ করে দেয়া হয়েছিল। এই দুটি ল্যান্ড এবং এয়ার স্ট্রাইক এর পর ভারত এবারও একই পথে হাঁটতে চলেছে ভারতীয় সেনা?
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া প্রত্যাঘাতের বিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী । এবং ভারতের সেনাই ঠিক করবে যে, কীভাবে পহেলগাঁওয়ের এই আক্রমণের প্রত্যাঘাত করা হবে। কোথায় করা হবে, কোন সময় করা হবে, এর পূর্ণ স্বাধীনতা সেনাবাহিনীকে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি । সূত্র বলছে, এই বৈঠকে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছেন সেনাবাহিনীকে, যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতে চায় ভারত।












Discussion about this post