সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রত্যাঘাতের জন্য ভারতের জাতীয় সংকল্প! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পহেলগাও সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের সামরিক কৌশলের পদ্ধতি, লক্ষ্য এবং সময় নির্ধারণের পূর্ণ স্বাধীনতা’ দিয়েছেন ভারতের তিন বাহিনীকে। সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী ‘পুনরায় নিশ্চিত করেছেন যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চূর্ণ-বিচূর্ণ আঘাত, মোকাবিলা করা আমাদের জাতীয় সংকল্প’ এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর তার ‘পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহানের সাথে সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রী এই বার্তাটি পৌঁছে দেন।
বিভিন্ন সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর বার্তায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, পহলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। বর্তমানে এই হামলার ঘটনাটি২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামা হামলার পর সবচেয়ে ভয়াবহ।
পহেলগাও হত্যাকাণ্ডের এই হামলার পিছনে দায়ী বলে মনে করা হয় পাকিস্তানকে। এর পরপরই, ভারত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয়, যার মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা বাতিল করা এবং সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত রাখা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সিডিএস, এনএসএ এবং তিন বাহিনীর প্রধানের সাথে মোদীর বৈঠক ইঙ্গিত দেয় যে কিছু সামরিক পদক্ষেপের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
পাশাপাশি এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদার দক্ষতার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়ার পদ্ধতি, লক্ষ্য এবং সময় নির্ধারণের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাত হানায়।
উল্লেখ্য ভারত সরকারের সামরিক বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশও নিজেদের জন্য অশনি সংকেত হিসেবেই দেখছে। যে কোন মুহূর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আঘাত হানতে পারে ভারত সেই আশঙ্কাতে যেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতি না রাখাটা আত্মঘাতী বলে অভিমত বাংলাদেশ সরকারের।ভারত পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে যুদ্ধে প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন পাকিস্তানের মিত্র বাংলাদেশ ও যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে। তেমন ভাবেই দেখা গেল, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা এমন বিশ্বে বাস করি, যেখানেপ্রতিনিয়ত যুদ্ধের হুমকি আমাদের ঘিরে থাকে। মোহাম্মদ ইউনুস নিজেকে ‘যুদ্ধবিরোধী মানুষ’ উল্লেখ বলেন, ‘অনেকের মতো আমিও যুদ্ধবিরোধী মানুষ। পৃথিবীতে যুদ্ধ হোক এটা আমরা কামনা করি না। কিন্তু প্রতিনিয়ত যুদ্ধের হুমকি আমাদের ঘিরে থাকে। সেখানে প্রস্তুতি না নিয়ে থাকাটা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ”
চলুন শুনে নেওয়া যাক যুদ্ধের প্রস্তুতি সম্পর্কে কি বলছেন প্রধান উপদেষ্টা,,
অর্থাৎ এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি না নেওয়াটা আত্মঘাতী এবং প্রস্তুতি নিতে হলে আধা-আধি প্রস্তুতি নেওয়ার কোনো জায়গা নাই। বিগত সরকারের যথেচ্ছাচারের কারণে যা ছিল তাও লুটপাট হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সামগ্রিক স্ট্যাটেজি ঠিক করতে হবে। শান্তির দিকে হাত বাড়িয়ে রাখতে হবে সব সময়। কিন্তু সেই সঙ্গে প্রস্তুতিটাও থাকতে হবে।












Discussion about this post