কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে যেভাবে জেহাদীরা হামলা চালালো, তাতে বিশ্বজুড়ে একটাই প্রশ্ন, ভারত কবে বা কিভাবে কড়া প্রত্যাঘাত হানবে? আর এই ঘটনায় ভারত নিশানা করেছে পাকিস্তানের দিকে। তবে প্রথম থেকেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশী যোগ উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না পুরোপুরি ভাবে। কারণ ইদানিং বাংলাদেশের তরুণদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের যোগ স্পষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বাংলাদেশের লস্কর ই তৈয়বার প্রধানের সঙ্গে কথা বলেন। এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। মিজোরামে কিছু একটা করতে পারে, এমন ইঙ্গিত আগেই দিয়ে রেখেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। আর এই পরিস্থিতিতে একটা তথ্য সামনে এসেছে, সেটা হচ্ছে ভারতের দখলের একটি ছক কষা হচ্ছে। আর সেটি পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ একযোগে করছে বলে খবর। অন্যদিকে ভারতের অন্দরে একটি সেনা মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে কি বাংলাদেশ পাকিস্তানের পক্ষ নিতে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে?
মিজোরামে কুকি চিনকে যেভাবে তৎপরতার সঙ্গে দেখা যাচ্ছে, সেই কুকি চিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে তৈরি। এক সময় বাংলাদেশ সেনা বাহিনী এই কুকি চিনকে অস্ত্র দিয়েছে, এদের তৈরি করেছে। এখন সরকারেরই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেটা। আরাকান আর্মি বা এরকম কয়েকটি মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলিকে বাংলাদেশের সেনা আমেরিকার সহায়তায় মোহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে এদের মদত যোগাচ্ছে বলে খবর। অন্যদিকে বাংলাদেশ যুদ্ধক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিচ্ছে। যখন ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের আবহ গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, তখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলছেন, বাংলাদেশকেও প্রস্তুত হয়ে থাকতে হবে। প্রস্তুতির আধাআধির কোনও বিষয় নেই। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ প্রস্তুতি না নিলে সেরা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি। ঠিক কি বলেছেন মোহম্মদ ইউনূস শুনুন
তবে কি সত্যিই বাংলাদেশ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিল? তবে অনেকেই বলেছেন, এরমধ্যে বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে আমেরিকা মায়ানমারে একটি যুদ্ধ চায়। সেখানকার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাহায্যের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহারের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অনেকেই বলছে, এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ পরবর্তীকালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রাক্তন মেজর জেনারেল আলম ফজলুর রহমান লিখছেন, ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখল করা উচিত, যদি তারা পাকিস্তান হামলা করে। অন্তত এটা করা উচিত নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। আর এটার পরই শোরগোল পড়ে যায় বাংলাদেশ জুড়ে। যদিও পরবর্তীকালে সেখানকার সরকারের তরফে পাল্টা অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়। বলা হয়, সেই বক্তব্য তার একান্ত নিজের। সরকার এ ধরনের বক্তব্য সমর্থন করে না। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধ আবহে কাকে সমর্থন করছে বাংলাদেশ?












Discussion about this post