পাকিস্তানে অকাল দিওয়ালি ভারতের। মঙ্গলবার মধ্যরাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এয়ার স্ট্রাইক করলো ভারত। ‘অপারেশন সিঁদুর’ এর মাধ্যমে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে ৯ টি পাকিস্তানি জঙ্গি ঘাঁটি। নিহত হয়েছে অসংখ্য পাক জঙ্গি। পাশাপাশি চিনের তৈরি একটি JF17 বিমান গুলি করে ভারতের কাশ্মীরের মাটিতে এসে পড়েছে।
পহেলগাঁও এর সন্ত্রাসী হামলায় পর্যটকদের মধ্যে বেছে বেছে হিন্দু পুরুষদের হত্যা করা হয়েছিল তাদের পরিবারের সামনে। নিহত ব্যক্তিদের স্ত্রী এর মুছে যাওয়া সিঁদুরের বদলা নিতেই ভারত সরকারের এই ‘অপারেশন সিঁদুর’। সূত্র বলছে মোট ৯ টা টার্গেটে আঘাত হানা হয়েছিল, তার মধ্যে চারটি পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে মারা হয়েছে, আর বাকি পাঁচটা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। লেখা দিয়েছে মুজাফফরাবাদ থেকে বাহওয়ালপুর পর্যন্ত টার্গেট করা হয়েছে ভারতীয় সেনার তরফে। অর্থাৎ পরপর নটি জঙ্গি ঘাঁটিতে এ ধ্বংসলীলা চালিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। বালাকোটা থেকেও ভয়ংকর ছিল এই অপারেশন সিঁদুর। আরে অভিযানের মাধ্যমে যে পরিমাণ পাক জঙ্গি নিহত হয়েছে সেটিও সেটিও ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের ইতিহাসে প্রথম।
এই অপারেশন সিঁদুরের পর তথ্য বলছে ভারতীয় সেনার এই অভিযানে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মুজাফফরাবাদ এর লস্কর ই তৈবার ট্রেনিং ক্যাম্প।ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিমানবাহিনী একজোটে এগুলোতে আঘাত হানে। অভিযানটি ছিল অ-সংস্পর্শ প্রকৃতির। অর্থাৎ সূত্র বলছে, নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল এই অপারেশনে। আর্টিলারি স্মার্ট গোলাবারুদ, আরপিএ, যুদ্ধবিমান। এছাড়া ৯টি লক্ষ্যবস্তু ছিল ২টি ভারতীয় বিমানবাহিনীর এবং ৭টি সেনাবাহিনীর। নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করতে হয়নি বলেও জানাচ্ছেন সেনাকর্তারা । লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য নির্দিষ্ট নেভিগেশন সিস্টেম ছিল। নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম না করেই অভিযানটি যোগাযোগবিহীন প্রকৃতির ছিল অভিমত সেনাকর্তাদের।
মূলত,জৈশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি লক্ষ্য করে ভারত বিমান হামলা চালিয়েছে। কর্মকর্তা ও সূত্রের মতে, বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে এবং কোটলিতে গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করা গিয়েছে।
আর ভারতের এই এয়ার স্ট্রাইকের পরেই পাকিস্তানের বিমান বাহিনীকে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছিল। একের পরে পাকিস্তানের দুটি বিমানকে গুলি করে নামানো হয়েছে কাশ্মীরে। অর্থাৎ ভারতের করা হুশিয়ারি পাকিস্তানি জঙ্গি খাঁটি গুলিকে যেমন ধ্বংস করা হবে তেমনি পাকিস্তানের তরফ থেকে যদি কোনরকম সন্ত্রাসবাদি দমনে বাধা সৃষ্টি করা হয় সেক্ষেত্রে কঠোর থেকে কঠোরতর পদক্ষেপ নেওয়া হবে ভারতের তরফে। অর্থাৎ এই হুশিয়ারি ফলস্বরূপই দেখা গেল সন্ত্রাসবাদ দমনে অপারেশন সিদুরের পর যখন বাধা সৃষ্টি করতে এসেছে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর তখনই ভারতীয় সেনার তরফে পাকিস্তানি দুটি বিমান বাহিনীকে গুলি করে নামানো হলো। ইতিমধ্যে শ্রীনগর বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনরকম বিমান এই বিমানবন্দরে উঠানামা করতে পারবে না । সূত্র বলছে ভারতের যে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে সেটি পাকিস্তানি বিমান ধ্বংস করেছে। তার মধ্যে রয়েছে চীন থেকে আমদানিকৃত জেএফ ১৭ যুদ্ধবিমান। এই যুদ্ধবিমান এর মাধ্যমেই পাকিস্তানের তরফে হামলার ছক কষা হচ্ছিল আর সেই সময়ে ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মাঝ আকাশেই এটিকে ধ্বংস করে দেয়। অর্থাৎ এই ঘটনা থেকে পরিষ্কার যে ভারতের এই অপারেশনের পরে পাকিস্তানের তরফ থেকে কাউন্টার অ্যাটাক করা হয়েছিল। এমনকি প্রতিনিয়ত হামলার ছক কসছিল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গুলি চালিয়ে আবার আকাশ পথে ও আর সেই কারণেই ভারত সরকারের তরফে ভারতীয় বিমান বাহিনীকে আগাম সর্তকতা ও প্রদান করা হয়েছিল। আর্থিক সেই ভাবেই দেখা গেল এই অভিযানের পরেই পাল্টা পদক্ষেপ নিতে আকাশ পথেই হানা দিয়েছিল পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান তবে শেষমেষ ভারতের সেনাবাহিনীর হাতে ধ্বংস হল সেই যুদ্ধবিমান।












Discussion about this post